ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

ফরিদপুরে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম :

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ঘারুয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে দুইদল গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষের একদিন পর গুরুতর আহত যুবলীগ নেতা নাসির মাতুব্বর (২৮) মারা গেছেন।

রবিবার সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত নাসির ঘারুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও কুমারখালি গ্রামের কাউসার মাতুব্বরের ছেলে। তিনি ই গ্রামের নয়ন খাাঁ মাষ্টারের গ্রুপের লোক।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র একই গ্রামের দুই গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের কমপক্ষে অর্ধশত লোক আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে নাসিরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেলিমের তলপেটে কোপের আঘাতের কারণে তাকে শনিবার রাতেই অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর তার আর জ্ঞান ফেরেনি। রবিবার সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এদিকে, সেলিমের মৃত্যুর খবরে কুমারখালি গ্রামের আবুতারা গ্রুপের লোকজন বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে গেছে, লুটপাট ঠেকাতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয় ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) নিখিল চন্দ্র অধিকারী বলেন, শনিবারের সংঘর্ষে আহত নাসির রবিবার সকালে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হয়েছি। সেলিম হত্যার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এলাকায় ফের সংঘর্ষ ও লুটতরাজ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯
১১ বার পঠিত হয়েছে

ফরিদপুরে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত যুবলীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট এর সময় : ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা ঘারুয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে দুইদল গ্রামবাসীর মাঝে সংঘর্ষের একদিন পর গুরুতর আহত যুবলীগ নেতা নাসির মাতুব্বর (২৮) মারা গেছেন।

রবিবার সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত নাসির ঘারুয়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও কুমারখালি গ্রামের কাউসার মাতুব্বরের ছেলে। তিনি ই গ্রামের নয়ন খাাঁ মাষ্টারের গ্রুপের লোক।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র একই গ্রামের দুই গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের কমপক্ষে অর্ধশত লোক আহত হয়। গুরুতর আহতদের মধ্যে নাসিরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেলিমের তলপেটে কোপের আঘাতের কারণে তাকে শনিবার রাতেই অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর তার আর জ্ঞান ফেরেনি। রবিবার সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এদিকে, সেলিমের মৃত্যুর খবরে কুমারখালি গ্রামের আবুতারা গ্রুপের লোকজন বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে গেছে, লুটপাট ঠেকাতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয় ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) নিখিল চন্দ্র অধিকারী বলেন, শনিবারের সংঘর্ষে আহত নাসির রবিবার সকালে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হয়েছি। সেলিম হত্যার বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এলাকায় ফের সংঘর্ষ ও লুটতরাজ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।