1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admink
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যার মধ্যে ২০ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস সিরিজ জয়ের ম্যাচে যেমন হতে পারে বাংলাদেশ একাদশ ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প ৯ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে বায়ার্নকে হারাল পিএসজি বজ্রপাতে বাবার মৃত্যু, কোল থেকে ছিটকে বাঁচল মেয়ে

ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলির পক্ষে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ২৬ মে, ২০১৮

গাজা সীমান্তে সরাসরি গুলি চালিয়ে শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছিলো দুটি মানবাধিকার সংস্থা। বৃহস্পতিবার সেই পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালত। ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি গুলি বন্ধের জন্য করা পিটিশন খারিজ করার পাশাপাশি সরাসরি গুলি করার পক্ষে রায় দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

তিনজন বিচারকের ওই বেঞ্চ প্রকৃতপক্ষে ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ নেয়। পিটিশন খারিজের পর আদালতের দেয়া বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদেরকে ইসরায়েলিদের জন্য ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক উল্লেখ করে তাদের রুখতে ইসরায়েলি বাহিনীকে সরাসরি গুলি করার বৈধতা দেয়া হয়। খবর আল জাজিরার।

ইসরায়েল বলছে, সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় আইন মেনে সরাসরি গুলি করছে তাদের বাহিনীর সদস্যরা। সংঘাত সৃষ্টিকারী হামাসের বিক্ষোভ থেকে নিজেদের রক্ষা করতেই তারা সরাসরি গুলি করছে বলেও জানায় ইসরায়েল।

পিটিশন খারিজ করে জারি করা রুলে ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি গুলি করার পক্ষে মত দেয় ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট। গাজা সীমান্তে সরাসরি গুলি বন্ধের জন্য পিটিশন দায়ের করে ইসরায়েলে আরব সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন `আদালত’ এবং ‘আল মিজান’।

শুক্রবার দেয়া এক বিবৃতিতে দুই মানবাধিকার সংগঠন জানায়, পিটিশনে উপস্থাপিত বিস্তারিত প্রমাণ ও গাজায় নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদেরকে হত্যার নৃশংস ঘটনার বর্ণনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার একাধিক রিপোর্ট সহ বিভিন্ন প্রমাণ সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালত।

এছাড়া পিটিশনে প্রমাণ হিসেবে দেয়া ভিডিওগুলোও প্রত্যাখান করে আদালত। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, আদালত প্রকৃতপক্ষে মামলার তদন্তের পরিবর্তে রাষ্ট্রের সঙ্গে ঐক্যমত্য পোষণ করেছে।

গত ৩০ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত আড়াই মাস ধরে গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করে সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। এসময় কয়েক সপ্তাহে এসব নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলি করে শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। গত ১৪ মে জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে করা বিক্ষোভে গুলি করে ৬০ জনেও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ ও সংগঠন। এছাড়া এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায় অনেক দেশ। জাতিসংঘের জরুরী বৈঠকে গাজার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের প্রস্তাব উঠলে এর বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে এ ঘটনায় হামাসকে দায়ী করে। সর্বশেষ ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর সরাসরি গুলির পক্ষে মত দিলো।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews