1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
পঞ্চগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিশুর হরমুজ প্রণালিতে ‘জাহাজ চলাচল বাড়াতে’ সাহায্য করবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ শিক্ষাখাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার সংসদে সরকারি হিসাব নিরীক্ষা বিল ২০২৬ পাস নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নবাগত প্রশাসককে কুমিল্লা রাইফেলস ক্লাবের শুভেচ্ছা ও সম্মাননা কুমিল্লায় আধুনিক পার্ক ও রেইসকোর্স খালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন: জেলা প্রশাসক ও সিটি প্রশাসকের দিকনির্দেশনা পারমাণবিক জ্বালানিতে স্বনির্ভরতার পথে ভারত

‘বন্ধ নয়, আইনি প্রক্রিয়ায় চলুক মাদকবিরোধী অভিযান’

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শুক্রবার, ১ জুন, ২০১৮

আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।

বৃহস্পতিবার রাতে বেসরকারি যমুনা টেলিভিশনের টক শো ‘মাদকবিরোধী অভিযান: বন্দুকযুদ্ধ’ অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এটাকে চলমান রাখতে হবে। তবে মাদক অভিযানের নামে আইন বহির্ভূত কোনা কাজ যেন না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।’

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশকে মাদকমুক্ত করার জন্য মাদকবিরোধী অভিযানটা চলমান রাখতে হবে। যতদূর সম্ভব এটাকে কমিয়ে আনার জন্য আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিতে হবে। তবে অভিযানের নামে যেন কোনো রকম মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয়, যেন আইন বহির্ভূত কোনা কাজ না হয় সেদিকেও আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। কারণ এটা আমাদের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা।’

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে শতাধিক ‘মাদক কারবারি’ নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষ যদি বড় অপরাধে অভিযুক্ত হয়েও থাকে তাকে কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই শাস্তিটা দিতে হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া। মাদকবিরোধী অভিযানে যে মানুষগুলো মারা গেল এটা কোনাভাবেই গ্রহণযোগ্য না।’

‘এ পর্যন্ত এই অভিযানে দশ হাজার লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক লোককে সাজা দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে যে ১২৪ জন লোক মারা গেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এই মারাটাকে আমরা গ্রহণ করতে পারছি না। এই মৃত্যুটা আমরা মনে করি আইন বহির্ভূত, এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে কি না উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে রিয়াজুল হক বলেন, ‘অধিকাংশ লোক কিন্তু এই অভিযানকে সমর্থন করছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে মানুষ হত্যার বিষয়টা আসায় মানুষের মনের মধ্যে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। মানুষের মনে এমন শঙ্কাও রয়েছে, বন্দুকযুদ্ধের কারণে ভালো একটা অভিযান বন্ধ হয়ে যায় কি না? আমরা যদি আইনগতভাবে কাজটা করতাম তাহলে এ বিষয়ে সমালোচনা হত না।’

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার বন্ধের আহ্বান জানান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক। বলেন, ‘মাদকবিরোধী যে অভিযান সেটা হতে হবে একটা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে। এই অভিযান সফল করার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। একটা ভালো কাজে আমরা হাত দিয়েছিলাম এটার কারণে যদি অভিযানটা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে এটা আমাদের ক্ষতিই হবে।’

‘অভিযানের ভেতরে যে বন্দুকযুদ্ধের কথাটা আসছে, বন্দুকযুদ্ধটা কেন এর ভেতরে আসবে? বন্দুকযুদ্ধের ব্যাপারে খুব পরিষ্কার করে বলা আছে, কখন এটা ব্যবহার করা যাবে? অভিযান সফলভাবে করতে হলে বন্দুক দিয়েই যে করতে হবে তাতো না, আরও অনেক মেথড আছে।’

মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করায় সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে মাদকবিরোধী যে ডাকটা এসেছে এটা যুগপোযোগী সময়। এটি একটি ভালো পদক্ষেপ, যদি আরও দেরি করা হত তাহলে হয়ত এটা সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়ত। এই অভিযান উপযুক্ত সময়ে শুরু হয়েছে।’

‘আমরা যে অবস্থানে চলে যাচ্ছিলাম, আমাদের প্রায় এক কোটি তরুণ ও মধ্যবয়সীরা মাদকাসক্ত হয়ে গেছে। প্রতি ১৬ জনে একজন মানুষ এটা নিচ্ছিল। এটা একটা ভাইরাস, এটা একটা সংক্রামক ব্যাধি এটি দ্রুত ছড়িয়ে যায়।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews