ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo দিনাজপুরে কুরিয়ার সার্ভিস অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে : সিইসি Logo মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির Logo দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন প্রস্তুতকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

প্রতিনিধির নাম :

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ গতকাল সোমবার ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। কাটা হয় প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর উপলক্ষে ২৭ পাউন্ড ওজনের কেক।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইউজিসি প্রফেসর অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান আকন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজীপুরের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ১০-২০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে। আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২৮ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান উপাচার্যের দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই এটি সম্ভব হচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, “প্রতিষ্ঠার পর ২৭ বছরে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেছেন। সেশনজট নিরসনের পর আজ আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম প্রায় শতভাগ আইটিভিত্তিক পরিচালিত হচ্ছে। ই-ফাইলিং এবং মোবাইল অ্যাপস চালু করা হয়েছে। কলেজ শিক্ষার মানোন্নয়নে সিইডিপি, কলেজ পারফরমেন্স র‍্যাংকিং, মডেল কলেজ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। শতবর্ষী কলেজসমূহ নিয়ে একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিগগিরই প্রবর্তন করা হবে ‘ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’।”

১৯৯২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করে। ওই সময়  বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৬৫৭টি কলেজে শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার। বর্তমানে অধিভুক্ত কলেজ ২ হাজার ২৬০, শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ লাখ। আর শিক্ষক সংখ্যা ৬০ হাজার।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. নোমান উর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯
৯ বার পঠিত হয়েছে

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আপডেট এর সময় : ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ গতকাল সোমবার ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। কাটা হয় প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর উপলক্ষে ২৭ পাউন্ড ওজনের কেক।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইউজিসি প্রফেসর অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান আকন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজীপুরের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ১০-২০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে। আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২৮ লাখ শিক্ষার্থী নিয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান উপাচার্যের দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই এটি সম্ভব হচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, “প্রতিষ্ঠার পর ২৭ বছরে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী গ্রাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেছেন। সেশনজট নিরসনের পর আজ আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম প্রায় শতভাগ আইটিভিত্তিক পরিচালিত হচ্ছে। ই-ফাইলিং এবং মোবাইল অ্যাপস চালু করা হয়েছে। কলেজ শিক্ষার মানোন্নয়নে সিইডিপি, কলেজ পারফরমেন্স র‍্যাংকিং, মডেল কলেজ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। শতবর্ষী কলেজসমূহ নিয়ে একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিগগিরই প্রবর্তন করা হবে ‘ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’।”

১৯৯২ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করে। ওই সময়  বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৬৫৭টি কলেজে শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার। বর্তমানে অধিভুক্ত কলেজ ২ হাজার ২৬০, শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৮ লাখ। আর শিক্ষক সংখ্যা ৬০ হাজার।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. নোমান উর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি উপস্থিত ছিলেন।