ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঙ্গোলিয়ায় ভবিষ্যৎ খেয়ে ফেলছে ভেড়া-ছাগল

প্রতিনিধির নাম :

India, Kashmir, Gulmarg, Sheep grazing on hillside

মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমিতে ছাগল ও ভেড়ার আধিক্য খাদ্য সঙ্কটের সৃষ্টি করছে৷ ফলে শীতকালে প্রচুর গবাদি পশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে৷ এ অবস্থা থেকে উত্তরণে জাতিসংঘ বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে।

মরুভূমির দেশ মঙ্গোলিয়া। দেশটিতে তৃণভূমির পরিমাণ সামান্য। দেশটির স্বল্পপরিমাণ তৃণভূমিতে চারণ করে প্রায় পাঁচ কোটি ছাগল ও ভেড়া। আর এই ছাগল-ভেড়াগুলোই মঙ্গোলিয়ানদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কারণ তৃণভূমিতে ঘাস বা তৃণলতা মূলসহ খেয়ে ফেলছে ছাগল ও ভেড়া। এর ফলে তৃণভূমিতে ঘাস ও লতাপাতা জন্মানোর পথ রোধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ছাগল ভেড়া নিজেদের ভবিষ্যৎ যেমন সঙ্কটে ফেলছে ঠিক তেমনই খামারিদের ভবিষ্যৎও শঙ্কার মধ্যে ফেলছে। খবর ডয়চে ভেলের।

দেশটিতে শীতের সময় হাজার হাজার ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু হয়। কারণ তীব্র শীত প্রতিরোধের জন্য তারা তাদের শরীরের খুব বেশি চর্বি জমাতে পারে না। এর ফলে পশুপালনকারীরাও হতাশ হয়ে পড়ছেন। একই সময়ে অনেকগুলো ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু তাদেরকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে।

আর এমনভাবে চলতে থাকলে আগামী দশ বছরের মধ্যে মঙ্গোলিয়া থেকে ছাগল ভেড়া উধাও হয়ে যাবে। আর এটা হলে পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত থাকা হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়বেন বা অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়বেন।

এমন সমস্যা সমাধানে বিকল্প একটি চিন্তা বের করেছে জাতিসংঘ। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী যার যত বেশি পশু তার তত বেশি কর দিতে হবে। এতে ভেড়া বা ছাগলের সংখ্যা কমে আসবে এবং প্রত্যেক ছাগল ও ভেড়া যত্ন পাবে। আর খাদ্যের ওপর চাম কমার ফলে মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমি রক্ষা পাবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮
৮ বার পঠিত হয়েছে

মঙ্গোলিয়ায় ভবিষ্যৎ খেয়ে ফেলছে ভেড়া-ছাগল

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ মে ২০১৮

মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমিতে ছাগল ও ভেড়ার আধিক্য খাদ্য সঙ্কটের সৃষ্টি করছে৷ ফলে শীতকালে প্রচুর গবাদি পশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে৷ এ অবস্থা থেকে উত্তরণে জাতিসংঘ বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে।

মরুভূমির দেশ মঙ্গোলিয়া। দেশটিতে তৃণভূমির পরিমাণ সামান্য। দেশটির স্বল্পপরিমাণ তৃণভূমিতে চারণ করে প্রায় পাঁচ কোটি ছাগল ও ভেড়া। আর এই ছাগল-ভেড়াগুলোই মঙ্গোলিয়ানদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কারণ তৃণভূমিতে ঘাস বা তৃণলতা মূলসহ খেয়ে ফেলছে ছাগল ও ভেড়া। এর ফলে তৃণভূমিতে ঘাস ও লতাপাতা জন্মানোর পথ রোধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ছাগল ভেড়া নিজেদের ভবিষ্যৎ যেমন সঙ্কটে ফেলছে ঠিক তেমনই খামারিদের ভবিষ্যৎও শঙ্কার মধ্যে ফেলছে। খবর ডয়চে ভেলের।

দেশটিতে শীতের সময় হাজার হাজার ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু হয়। কারণ তীব্র শীত প্রতিরোধের জন্য তারা তাদের শরীরের খুব বেশি চর্বি জমাতে পারে না। এর ফলে পশুপালনকারীরাও হতাশ হয়ে পড়ছেন। একই সময়ে অনেকগুলো ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু তাদেরকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে।

আর এমনভাবে চলতে থাকলে আগামী দশ বছরের মধ্যে মঙ্গোলিয়া থেকে ছাগল ভেড়া উধাও হয়ে যাবে। আর এটা হলে পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত থাকা হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়বেন বা অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়বেন।

এমন সমস্যা সমাধানে বিকল্প একটি চিন্তা বের করেছে জাতিসংঘ। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী যার যত বেশি পশু তার তত বেশি কর দিতে হবে। এতে ভেড়া বা ছাগলের সংখ্যা কমে আসবে এবং প্রত্যেক ছাগল ও ভেড়া যত্ন পাবে। আর খাদ্যের ওপর চাম কমার ফলে মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমি রক্ষা পাবে।