ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo যুদ্ধ অবসানে চুক্তি চূড়ান্তের চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান Logo কোরবানির চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের Logo বায়তুল মুকাররমে ঈদুল আযহায় ৫টি জামাত: ইমাম ও মুকাব্বিরের তালিকা প্রকাশ Logo স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত : তথ্যমন্ত্রী Logo ইসরাইলি বিমান হামলায় লেবাননে নিহত ১০ Logo কলম্বিয়ায় ২ আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত শতাধিক Logo মোবাইল খাতে কর সংস্কারে ২০৩৪ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার রাজস্বের সম্ভাবনা

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও গবেষণায় কাজ করছে সরকার: আহমেদ আযম খান

অনলাইন ডেস্ক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনকে আমরা লালন করি এবং ধারণ করি। এই অর্জনকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ধরে রাখতে এবং জাতির কাছে চিরদিনের জন্যে স্মরণীয় করে রাখার জন্যেই তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীনতার স্মৃতি সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মাঠ পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অফিস না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সেশনটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট কোনো নতুন প্রস্তাবনা নেই। তবে চলমান কার্যক্রমগুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেয়েছি। সেগুলোর ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধকে তার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে চাই।’

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বীর নিবাস প্রকল্পসহ প্রতিটি সেক্টরে যে দলীয়করণ ও দুর্নীতি হয়েছে, ডিসিরা সে বিষয়ক কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

ইশরাক হোসেন জানান, বিগত সরকারের অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখে ভবিষ্যতে যাতে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করা হবে ।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
২ বার পঠিত হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ ও গবেষণায় কাজ করছে সরকার: আহমেদ আযম খান

আপডেট এর সময় : ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও কল্যাণ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনকে আমরা লালন করি এবং ধারণ করি। এই অর্জনকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ধরে রাখতে এবং জাতির কাছে চিরদিনের জন্যে স্মরণীয় করে রাখার জন্যেই তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীনতার স্মৃতি সংরক্ষণ, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মাঠ পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অফিস না থাকায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের ওপর নির্ভর করতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সেশনটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট কোনো নতুন প্রস্তাবনা নেই। তবে চলমান কার্যক্রমগুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করার বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেয়েছি। সেগুলোর ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধকে তার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে চাই।’

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বীর নিবাস প্রকল্পসহ প্রতিটি সেক্টরে যে দলীয়করণ ও দুর্নীতি হয়েছে, ডিসিরা সে বিষয়ক কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

ইশরাক হোসেন জানান, বিগত সরকারের অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখে ভবিষ্যতে যাতে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করা হবে ।