ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

যশোরের নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ীর মরদেহ সাতক্ষীরার আশাশুনি থেকে উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম :

স্টাফ রিপোর্ট :   যশোর থেকে নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলামের মরদেহ সাতক্ষীরার আশাশুনি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের একসরা গ্রামে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রেজাউল ইসলাম যশোর কোতোয়ালী থানার শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় দর্জির কাজ করতেন। অন্যদিকে আটক সবুজ গাজী (৩৫) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাওনিয়া গ্রামের হবি গাজীর ছেলে। যশোরে তার একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে।

পুলিশ জানায়, যশোর শহরে একটি ভাড়া বাসায় পরিবারসহ বসবাস করতেন রেজাউল ইসলাম ও সবুজ গাজী। জমি ক্রয় করে দেবার কথা বলে রেজাউলের কাছ থেকে ১০-১৫ লাখ টাকা নেন সবুজ। পরে জমি না কিনে টাকা ফেরত চাইলে চাপের মুখে পড়ে সবুজ। গত ২২ মার্চ টাকা ফেরতের কথা বলে রেজাউলকে ডেকে নেয়। এরপর থেকেই রেজাউল নিখোঁজ ছিলেন। ২৫ মার্চ সবুজ ও তার স্ত্রী প্রিয়াংকা খাতুন ভাড়া বাসা থেকে উধাও হয়ে যান। এ ঘটনায় রেজাউলের স্ত্রী মমতাজ বেগম কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

যশোর থানার এসআই চঞ্চল কুমার জানান, ঘটনার পর থেকেই সবুজ গাজীর মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। অবশেষে ২৫ এপ্রিল তার মোবাইল খোলা হলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা হয় চট্টগ্রামে। সেখান থেকে ২৬ এপ্রিল সবুজ ও তার স্ত্রী প্রিয়াংকাকে আটক করা হয়।

সবুজ গাজী পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে গত ২৩ মার্চ রেজাউলকে হত্যা করে মরদেহ সাতক্ষীরার আশাশুনির একসরা গ্রামে ঘেরের পাশে মাটিতে পুঁতে রেখেছিল। তার দেখানো স্থান থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা আশাশুনি থানার ওসি শামসুল আরেফিন বলেন, যশোর থানা পুলিশের অভিযানে আমরা সহায়তা করেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
৯ বার পঠিত হয়েছে

যশোরের নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ীর মরদেহ সাতক্ষীরার আশাশুনি থেকে উদ্ধার

আপডেট এর সময় : ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

স্টাফ রিপোর্ট :   যশোর থেকে নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলামের মরদেহ সাতক্ষীরার আশাশুনি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের একসরা গ্রামে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রেজাউল ইসলাম যশোর কোতোয়ালী থানার শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় দর্জির কাজ করতেন। অন্যদিকে আটক সবুজ গাজী (৩৫) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাওনিয়া গ্রামের হবি গাজীর ছেলে। যশোরে তার একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে।

পুলিশ জানায়, যশোর শহরে একটি ভাড়া বাসায় পরিবারসহ বসবাস করতেন রেজাউল ইসলাম ও সবুজ গাজী। জমি ক্রয় করে দেবার কথা বলে রেজাউলের কাছ থেকে ১০-১৫ লাখ টাকা নেন সবুজ। পরে জমি না কিনে টাকা ফেরত চাইলে চাপের মুখে পড়ে সবুজ। গত ২২ মার্চ টাকা ফেরতের কথা বলে রেজাউলকে ডেকে নেয়। এরপর থেকেই রেজাউল নিখোঁজ ছিলেন। ২৫ মার্চ সবুজ ও তার স্ত্রী প্রিয়াংকা খাতুন ভাড়া বাসা থেকে উধাও হয়ে যান। এ ঘটনায় রেজাউলের স্ত্রী মমতাজ বেগম কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

যশোর থানার এসআই চঞ্চল কুমার জানান, ঘটনার পর থেকেই সবুজ গাজীর মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। অবশেষে ২৫ এপ্রিল তার মোবাইল খোলা হলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা হয় চট্টগ্রামে। সেখান থেকে ২৬ এপ্রিল সবুজ ও তার স্ত্রী প্রিয়াংকাকে আটক করা হয়।

সবুজ গাজী পুলিশের কাছে স্বীকার করেন যে গত ২৩ মার্চ রেজাউলকে হত্যা করে মরদেহ সাতক্ষীরার আশাশুনির একসরা গ্রামে ঘেরের পাশে মাটিতে পুঁতে রেখেছিল। তার দেখানো স্থান থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা আশাশুনি থানার ওসি শামসুল আরেফিন বলেন, যশোর থানা পুলিশের অভিযানে আমরা সহায়তা করেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।