রাজধানী কদমতলী ও মতিঝিল থানাধীন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে মনা ও শামীমের জুয়া বাণিজ্য

মোসাদ্দেক বিল্লাহ : মাদক, মদ, গাঁজা, হিরোইন, ফেন্সিডিল সবশেষে ইয়াবা। ছয়লাব দেশ। মাদকের চাইতেই ভয়াবহ মরণ নেশা জুয়া। জুয়া খেলে কেউ কোটিপতি হয়েছে এমন নজির নেই বরং জুয়া খেলে সর্বস্ব হারিয়েছে এমন নজির ভুরি ভুরি। সম্প্রতি ভারতের এক জুয়ারু তার স্ত্রীকে বন্ধক রেখে জুয়া খেলার পরে ঐ স্ত্রী ধর্ষিত হয়েছেন। বর্তমানে দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। পাশাপাশি জুয়ারুদের বিরুদ্ধে অভিযান চায় দেশের সাধারণ মানুষ। রাজধানীর কদমতলী থানাধীন পোস্তগোলা মদের বারের পাশে সন্ত্রাসী মনা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা দীর্ঘদিন ধরে অবাধে জুয়া বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এই জুয়ার স্পটে প্রতিদিনই কোন কোন মারামারির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে জুয়ারু খোকন বলেন, জুয়া খেলায় এমন টুকিটাকি হয়েই থাকে। তাছাড়া আমার এখানে জুয়া খেলে অনেকেই কোটিপতিও হয়েছে। খোকন আরো বলেন, আমি থানা পুলিশকেও টাকা দিয়ে থাকি। এ বিষয়ে কদমতলী থানায় ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি। অপরদিকে মতিঝিল থানাধীন বালুর মাঠে (সাদেক হোসেন খোকা গলি) সাউদিয়া বাস স্ট্যান্ডের পাশে টিনশেড রুমে দিন রাত ২৪ঘন্টা অনবরত জুয়া বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে শামীম ও ইসমাইল। এখানে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার জুয়া খেলা হয় বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে মতিঝিল থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এসআই বলেন, বিষয়টি আপনারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করুন। আমাদের কিছুই করার নেই। এ বিষয়ে জুয়া বোর্ডের মালিক শামীম ০১৭২৫-৮৪৬৯০৯ নম্বরে যোগাযোগ করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এই সমস্ত জুয়ার বোর্ড অচিরেই বন্ধ করা না গেলে সমাজে ঘটতে পারে সামাজিক অবক্ষয় ঘটতে পারে মানবিক অবক্ষয়। কারণ ঐসকল জুয়ার বোর্ডে যারা জুয়া খেলতে আসেন তারা জুয়া খেলার টাকা জোগাড় করতে জড়িয়ে পড়ছে চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন রকম অপরাধে। আর যারা এইসব জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করছেন তাই উৎসাহ জুগিয়ে চলছেন বিভিন্ন অপরাধকে এমনটাই ধারণা করেন সচেতন মহল। এইসকল জুয়ার আসরসহ দেশেজুড়ে যত জুয়ার বোর্ড আছে তা বন্ধ করার জন্য মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি জুয়াবিরোধী অভিযান পরিচালনা হবে এটাই আশা করে দেশবাসী ও সচেতনমহল। আর এর জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের উর্ধ্বমহলের শক্ত হস্তক্ষেপ। জিরো টলারেন্স।
















