ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গাজীপুরে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে ২ জন নিহত Logo বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান Logo ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় ত্রাণের অপেক্ষায় হাজার হাজার মানুষ Logo অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় Logo অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন Logo ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী Logo প্রস্তুতি ম্যাচে ইনজুরিতে বাবর Logo নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ Logo ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত ২০, হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

সংবিধানের আরেক সংশোধনী আসছে বিকালে

প্রতিনিধির নাম :

সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হতে যাচ্ছে আজ। রবিবার বিকাল তিনটায় এই অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। নারীদের জন্য সংসদে আসন আরও ২৫ বছর সংরক্ষিত রাখতে এই সংশোধনী আনা হচ্ছে।

গত শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপিতে সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ তার দলের সব সংসদ সদস্যকে যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮ পাস করার প্রস্তাব উত্থাপন করবেন।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভাতেও প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা দলীয় সংসদ সদস্যদের রবিবারের অধিবেশনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বৈঠকে সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধনীর ভোটিং প্রক্রিয়া সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বাড়িয়ে গত ১০ এপ্রিল সংসদে ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করা হয়। গত ৬ জুন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিলটি পাসের সুপারিশ করে রিপোর্ট উত্থাপন করেন।

২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ করা হলেও ওই সময় মেয়াদ বাড়ানো হয়নি।

বর্তমানে ৩৫০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের ৩০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। বাকি ৫০ জন সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো তাদের আসনসংখ্যার অনুপাতে নারী সংসদ সদস্য মনোনীত করে থাকে।

২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী সদস্যের ৪৫টি আসন সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। তখন এর মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় পরবর্তী সংসদের অর্থাৎ, নবম সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ১০ বছর।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই হিসেবে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মেয়াদ আছে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান নারী আসনের মেয়াদ শেষ হবে। ফলে সপ্তদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে পরবর্তী সংসদ থেকে তার মেয়াদ ২৫ বছর হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮
১৮ বার পঠিত হয়েছে

সংবিধানের আরেক সংশোধনী আসছে বিকালে

আপডেট এর সময় : ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮

সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হতে যাচ্ছে আজ। রবিবার বিকাল তিনটায় এই অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। নারীদের জন্য সংসদে আসন আরও ২৫ বছর সংরক্ষিত রাখতে এই সংশোধনী আনা হচ্ছে।

গত শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপিতে সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ তার দলের সব সংসদ সদস্যকে যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮ পাস করার প্রস্তাব উত্থাপন করবেন।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভাতেও প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা দলীয় সংসদ সদস্যদের রবিবারের অধিবেশনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বৈঠকে সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধনীর ভোটিং প্রক্রিয়া সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বাড়িয়ে গত ১০ এপ্রিল সংসদে ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করা হয়। গত ৬ জুন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিলটি পাসের সুপারিশ করে রিপোর্ট উত্থাপন করেন।

২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ করা হলেও ওই সময় মেয়াদ বাড়ানো হয়নি।

বর্তমানে ৩৫০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের ৩০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। বাকি ৫০ জন সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো তাদের আসনসংখ্যার অনুপাতে নারী সংসদ সদস্য মনোনীত করে থাকে।

২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী সদস্যের ৪৫টি আসন সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। তখন এর মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় পরবর্তী সংসদের অর্থাৎ, নবম সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ১০ বছর।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই হিসেবে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মেয়াদ আছে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান নারী আসনের মেয়াদ শেষ হবে। ফলে সপ্তদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে পরবর্তী সংসদ থেকে তার মেয়াদ ২৫ বছর হবে।