ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ Logo হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর Logo গাজীপুরে শব্দদূষণ রোধে সাইলেন্ট র‌্যালি ও মতবিনিময় Logo বগুড়ায় সাজাপ্রাপ্ত মাদক কারবারি ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার Logo ইরানের হামলার জবাবে ৫টি তেলবাহী জাহাজ ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের Logo পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর

সেই শাহ আলমসহ ৪ জনের লাশ দেশে আসছে বুধবার

প্রতিনিধির নাম :

‘সৌদিতে নিহত সন্তানের লাশ আনতে ভিক্ষা করছেন মা’ এই শিরোনামে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর গত ৪ জুলাই সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাগুরার শাহ আলমের লাশ দেশে আনা হচ্ছে।

সরকারি খরচে বুধবার বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৪০৩৪ এর একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে তার লাশ।

সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শাহ আলম মহম্মদপুর উপজেলার দেউলি গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর সায়েন উদ্দিন মোল্যার ছেলে।

শাহ আলম ছাড়াও ওই দুর্ঘটনায় নিহত আরও তিনজনের লাশ সরকারি খরচে একই ফ্লাইটে দেশে আনা হচ্ছে। তারা হলেন- নড়াইল সদরের মহিসওলা গ্রামের মোহসিন হোসাইনের ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম, একই জেলার লোহাগড়া উপজেলার হাহড়ীয়া গ্রামের সৈয়দ আশরাফ আলীর ছেলে সৈয়দ হোসেন আলী ও যশোর সদরের বারান্দিপাড়া গ্রামের মো. হায়দার আলীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম রুবেল।

প্রসঙ্গত, নিহত শাহ আলমের মা হুরিয়া বেগম সন্তানের লাশ আনার টাকা জোগাড় করতে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা শুরু করেন। গত ২৪ জুলাই এমন খবর যুগান্তরে প্রকাশিত হওয়ার পরপরই প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

ওইদিন শাহ আলমের পরিবারকে তাদের সন্তানের লাশ সরকারি ব্যবস্থায় দেশে আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও গণসংযোগ) জাহিদ আনোয়ার।

পরে গত ২৬ জুলাই ও ২ আগস্ট ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড পৃথকভাবে নিহত শাহ আলমের জন্য ২ লাখ ২৩ হাজার ১৮২ টাকা ও নিহত মনিরুল, সৈয়দ হোসেন এবং সাইফুলের লাশ দেশে আনার জন্য ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৫৪৬ টাকা অনুমোদন দেয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই সৌদি আরবের জেদ্দায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হন। এদের মধ্যে চারজনের লাশ সরকারিভাবে বুধবার দেশে আনা হচ্ছে। অপরজনের লাশ তার পরিবারের ইচ্ছায় সৌদিতেই দাফন করা হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

সেই শাহ আলমসহ ৪ জনের লাশ দেশে আসছে বুধবার

আপডেট এর সময় : ০৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

‘সৌদিতে নিহত সন্তানের লাশ আনতে ভিক্ষা করছেন মা’ এই শিরোনামে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর গত ৪ জুলাই সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মাগুরার শাহ আলমের লাশ দেশে আনা হচ্ছে।

সরকারি খরচে বুধবার বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৪০৩৪ এর একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে তার লাশ।

সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ উইং থেকে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শাহ আলম মহম্মদপুর উপজেলার দেউলি গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর সায়েন উদ্দিন মোল্যার ছেলে।

শাহ আলম ছাড়াও ওই দুর্ঘটনায় নিহত আরও তিনজনের লাশ সরকারি খরচে একই ফ্লাইটে দেশে আনা হচ্ছে। তারা হলেন- নড়াইল সদরের মহিসওলা গ্রামের মোহসিন হোসাইনের ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম, একই জেলার লোহাগড়া উপজেলার হাহড়ীয়া গ্রামের সৈয়দ আশরাফ আলীর ছেলে সৈয়দ হোসেন আলী ও যশোর সদরের বারান্দিপাড়া গ্রামের মো. হায়দার আলীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম রুবেল।

প্রসঙ্গত, নিহত শাহ আলমের মা হুরিয়া বেগম সন্তানের লাশ আনার টাকা জোগাড় করতে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা শুরু করেন। গত ২৪ জুলাই এমন খবর যুগান্তরে প্রকাশিত হওয়ার পরপরই প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

ওইদিন শাহ আলমের পরিবারকে তাদের সন্তানের লাশ সরকারি ব্যবস্থায় দেশে আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও গণসংযোগ) জাহিদ আনোয়ার।

পরে গত ২৬ জুলাই ও ২ আগস্ট ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড পৃথকভাবে নিহত শাহ আলমের জন্য ২ লাখ ২৩ হাজার ১৮২ টাকা ও নিহত মনিরুল, সৈয়দ হোসেন এবং সাইফুলের লাশ দেশে আনার জন্য ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৫৪৬ টাকা অনুমোদন দেয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই সৌদি আরবের জেদ্দায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত হন। এদের মধ্যে চারজনের লাশ সরকারিভাবে বুধবার দেশে আনা হচ্ছে। অপরজনের লাশ তার পরিবারের ইচ্ছায় সৌদিতেই দাফন করা হয়েছে।