1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ, সেনাদের প্রতি সমর্থন মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৪ বছরের সন্তানকে নিতে চান না মা-বাবা, বিস্মিত আদালত

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯

প্রত্যেক সন্তানের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল তার মা-বাবা। কিন্তু চার বছরের ছোট্ট শিশু মাসান আরদিতের আপন কে? বাবা, নাকি মা? বিয়ে বিচ্ছেদের চরম নির্মমতার শিকার এই শিশুর দায়িত্ব তার মা-বাবা কেউই নিতে চান না। মাসান আরদিতের মা-বাবার এমন আচারণে বিস্মিত আদালত। বিষয়টি নিয়ে পরস্পরকে দুষছেন দুই পক্ষের আইনজীবীও।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে মাসান আরদিতের মা-বাবা জানিয়েছেন, মাসানকে তারা রাখতে চান না। বিয়ে বিচ্ছেদের পর বাবা উঠেছেন একটি মেসে। সেখানে শিশুটিকে রাখার পরিবেশ নেই। আর সন্তানের খরচ চালানোর অক্ষমতার কথা বলছেন মা।

এমন ঘটনায় আদালতে উপস্থিত থাকা সবাই অবাক হন। এ সময় আদালত প্রশ্ন করেন, বাবা-মা না দেখলে ছোট্ট শিশুটির দায়িত্ব নেবে কে?

মাসানের মা সানজিদা শারমিন বলেন, ‘বাচ্চার বাবা তার কোনোই খোঁজ নেই না। একবারও দেখতে আসে না। ভরণ-পোষণও দিচ্ছে না। তাহলে বাচ্চাটাকে আমি কীভাবে রাখব?

তবে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে চাননি শিশুর বাবা মাহফুজ ইসলাম। দুপক্ষের আইনজীবীরাও একে অপরের ওপর দোষ চাপান।

মাসানের বাবার আইনজীবী ইকবাল আহাম্মেদ খান বলেন, ‘বাচ্চা নাবালক হলে ৭ বছর বয়স পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তার মায়ের কাছেই থাকবে।’

অপরদিকে মাসানের মায়ের আইনজীবী আকলিমা ইসলাম বলেন, ‘বাচ্চা মা রাখতে পারবে। কিন্তু বাচ্চার খরচ অবশ্যই বাবাকে দিতে হবে। না দিলে ভিন্নপথ অবলম্বন করতে হবে আমাদের।’

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী ফাওজিয়া কর্মী ফিরোজ বলেন, ‘বিচ্ছেদের মামলা বিষাক্ত করে তুলছে এমন শিশুদের জীবন।’ তিনি আদালতে বলেন, ‘আমাদের আদালত নারী ও শিশুবান্ধব নয়। আদালত দেখতে চান বলে অনেকেই ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে আসেন। কিন্তু সেখানে বাচ্চা নিয়ে ঢোকার মতো পরিবেশ থাকে না।’

২০১৩ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন এ দম্পতি। তবে এরপর সময় যত গড়িয়েছে, দাম্পত্য কলহে ফাটল ধরেছে ততই।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews