ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে বেসরকারি ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম স্থাপনের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে মঙ্গলবার এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আলোচনাকালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছে। একইসঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করছে।

তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল করা, নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সরকারের অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদসমৃদ্ধ শিল্পখাতকে কার্যকর করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে এগুলোকে উৎপাদনমুখী করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এসময় তিনি বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ান বিনিয়োগ বাড়ানোর আহবান জানান।

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ৫.১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সবুজ জ্বালানি, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি সহযোগিতার সুযোগসমূহ পর্যালোচনা করছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত রয়েছে, যা দেশটিকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত করেছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, শিক্ষা ও বৃত্তির ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, ট্রেড নেগোশিয়েশন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
৯ বার পঠিত হয়েছে

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট এর সময় : ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দপ্তরে মঙ্গলবার এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আলোচনাকালে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছে। একইসঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করছে।

তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল করা, নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সরকারের অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদসমৃদ্ধ শিল্পখাতকে কার্যকর করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে এগুলোকে উৎপাদনমুখী করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এসময় তিনি বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ান বিনিয়োগ বাড়ানোর আহবান জানান।

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ৫.১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সবুজ জ্বালানি, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি সহযোগিতার সুযোগসমূহ পর্যালোচনা করছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত রয়েছে, যা দেশটিকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত করেছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য, শিক্ষা ও বৃত্তির ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, ট্রেড নেগোশিয়েশন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button