ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো Logo গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ

প্রতিনিধির নাম :

নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ভারতে নিযুক্ত ইরানের বর্তমান নেতার প্রতিনিধি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ইরানের শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ইসরাইলের অব্যাহত হুমকির কারণেই মোজতবা খামেনি জানাজায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

তিনি জানান, সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ খামেনিকে লক্ষ্য করে কঠোর হুমকি দিয়েছেন। এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের হুমকির জবাব ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার’ মাধ্যমে দেওয়া হবে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিন নিহত হন। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান কয়েক দফা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে খামেনির আনুষ্ঠানিক জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি চলছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, রাজধানী তেহরানে প্রায় ২ কোটি এবং দেশজুড়ে মোট সাড়ে ৩ কোটি মানুষ এ আয়োজনে অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ৯০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ হিসাব বাস্তব হলে ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশ নেওয়া আনুমানিক ১ কোটি ২ লাখ মানুষের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে লিখেছে, খামেনির স্মরণে গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ইরানজুড়ে ও ইরাকে ছয় দিনের জানাজা ও শোক অনুষ্ঠানের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ৪ ও ৫ জুলাই ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান হবে, যার মধ্যে প্রথম দিন জানাজা কর্মসূচি রয়েছে।

৬ জুলাই তেহরানে প্রধান শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকে নেওয়া হবে, যেখানে নাজাফ ও কারবালা শহরে শোকযাত্রা ও জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ইরানের মাশহাদে হযরত ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে দাফন সম্পন্ন হবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে
১৮ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ভারতে নিযুক্ত ইরানের বর্তমান নেতার প্রতিনিধি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ইরানের শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ইসরাইলের অব্যাহত হুমকির কারণেই মোজতবা খামেনি জানাজায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

তিনি জানান, সম্প্রতি ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ খামেনিকে লক্ষ্য করে কঠোর হুমকি দিয়েছেন। এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের হুমকির জবাব ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার’ মাধ্যমে দেওয়া হবে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিন নিহত হন। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তার রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান কয়েক দফা পিছিয়ে দেওয়া হয়।

ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে খামেনির আনুষ্ঠানিক জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে নজিরবিহীন জনসমাগমের প্রস্তুতি চলছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, রাজধানী তেহরানে প্রায় ২ কোটি এবং দেশজুড়ে মোট সাড়ে ৩ কোটি মানুষ এ আয়োজনে অংশ নিতে পারেন। এছাড়া ৯০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ হিসাব বাস্তব হলে ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশ নেওয়া আনুমানিক ১ কোটি ২ লাখ মানুষের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে লিখেছে, খামেনির স্মরণে গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ইরানজুড়ে ও ইরাকে ছয় দিনের জানাজা ও শোক অনুষ্ঠানের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। আগামী ৪ ও ৫ জুলাই ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান হবে, যার মধ্যে প্রথম দিন জানাজা কর্মসূচি রয়েছে।

৬ জুলাই তেহরানে প্রধান শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকে নেওয়া হবে, যেখানে নাজাফ ও কারবালা শহরে শোকযাত্রা ও জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ইরানের মাশহাদে হযরত ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে দাফন সম্পন্ন হবে।