ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাকিস্তান দলে যোগ দিচ্ছেন শফিক ও শাকিল Logo স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান Logo যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল Logo ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo গোমেজের চোটে দুশ্চিন্তায় লিভারপুলের নতুন কোচ ইরাওলা Logo অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২ মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার

প্রতিনিধির নাম :

গেল অক্টোবর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশের ইতিহাসে এটি এককমাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত অর্থবছরের মে মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২ অক্টোবর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে তাত্ক্ষণিক দুই শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা কার্যকর হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই মাসে যা ছিল ১২৩ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩২ দশমিক ৩২ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের চার মাসেই আগের অর্থবছরের একই মাসগুলোর তুলনায় রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেশি এসেছে। জুলাইয়ে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স আসে ৫১০ কোটি ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। সাধারণত ঈদের পর প্রবাসীরা কম রেমিট্যান্স পাঠান। কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও রেমিট্যান্স বেড়েছে। প্রণোদনা দেওয়ার কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। সেসব দেশে অবস্থানকারী আমাদের প্রবাসীরা এখন বেশি মজুরি পাচ্ছেন; বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। প্রণোদনা দেওয়ার জন্য বাজেটে এজন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০১৯
১০ বার পঠিত হয়েছে

অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার

আপডেট এর সময় : ১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০১৯

গেল অক্টোবর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশের ইতিহাসে এটি এককমাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত অর্থবছরের মে মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২ অক্টোবর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে তাত্ক্ষণিক দুই শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা কার্যকর হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই মাসে যা ছিল ১২৩ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩২ দশমিক ৩২ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের চার মাসেই আগের অর্থবছরের একই মাসগুলোর তুলনায় রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেশি এসেছে। জুলাইয়ে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স আসে ৫১০ কোটি ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। সাধারণত ঈদের পর প্রবাসীরা কম রেমিট্যান্স পাঠান। কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও রেমিট্যান্স বেড়েছে। প্রণোদনা দেওয়ার কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। সেসব দেশে অবস্থানকারী আমাদের প্রবাসীরা এখন বেশি মজুরি পাচ্ছেন; বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। প্রণোদনা দেওয়ার জন্য বাজেটে এজন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।