ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo এক রানেরও কম ইকোনমিতে রেকর্ড বইয়ে রবিনসন Logo শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ Logo ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট Logo বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, প্রাণহানি ৬৩৩ Logo ৭৪ জনকে চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান প্রধানমন্ত্রীর Logo গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

অনুমোদনহীন সমাবেশ নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর বার্তা

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবাইকে সতর্ক বার্তা দিয়েছে। তারা বলছে, তফসিল ঘোষণার পর যে কোনো বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ বা আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর রাখতে সরকারের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচনী পরিবেশ সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য মাঠে থাকবে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিয়োগ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যেই বিশেষ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সরকার স্পষ্টভাবে জানায়, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, রাস্তা অবরোধ বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ডকে সহ্য করা হবে না। বেআইনিভাবে সভা সমাবেশে অংশ নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন ও বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে, যেখানে আন্দোলনকারীরা তাদের নানা দাবি উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “সরকার সবসময় ন্যায্য দাবিতে সাড়া দিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজেছে।” তবে এখন দেশের মূল লক্ষ্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা।

তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। তাই যার যার দাবি নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। কেউ যেন অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন না করেন।”

নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা বা অনিশ্চয়তা যেন না বাড়ে, সেই লক্ষ্যেই সরকারের এই কড়া অবস্থান বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
১২ বার পঠিত হয়েছে

অনুমোদনহীন সমাবেশ নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর বার্তা

আপডেট এর সময় : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:     আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবাইকে সতর্ক বার্তা দিয়েছে। তারা বলছে, তফসিল ঘোষণার পর যে কোনো বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ বা আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর রাখতে সরকারের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচনী পরিবেশ সুরক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য মাঠে থাকবে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিয়োগ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যেই বিশেষ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সরকার স্পষ্টভাবে জানায়, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, রাস্তা অবরোধ বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ডকে সহ্য করা হবে না। বেআইনিভাবে সভা সমাবেশে অংশ নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন ও বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে, যেখানে আন্দোলনকারীরা তাদের নানা দাবি উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “সরকার সবসময় ন্যায্য দাবিতে সাড়া দিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজেছে।” তবে এখন দেশের মূল লক্ষ্য নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা।

তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। তাই যার যার দাবি নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। কেউ যেন অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন না করেন।”

নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা বা অনিশ্চয়তা যেন না বাড়ে, সেই লক্ষ্যেই সরকারের এই কড়া অবস্থান বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।