ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের ‘সুপরিকল্পিত’ ধ্বংসযজ্ঞের নিন্দা লেবাননের Logo মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্পোর্টিং থেকে দিয়োমান্দেকে দলে ভিড়িয়েছে নটিংহ্যাম ফরেস্ট Logo কুষ্টিয়ায় ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ Logo ভোরে সুদানের রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের দুই শহরে ড্রোন হামলা Logo বাংলাদেশকে বৈশ্বিক হালাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর Logo রাজনীতি নয়, মনেপ্রাণে ক্রীড়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কোকো : রিজভী Logo কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা

অন্য ধর্মাবলম্বীদের হাতে বানানো খাবার খাওয়া জায়েজ?

প্রতিনিধির নাম :

প্রশ্ন: আমি একজন কাঠমিস্ত্রি। মানুষের বাড়িতে বাড়িতে মিস্ত্রির কাজ করি। কখনো কখনো হিন্দু বাড়িতেও কাজ করতে হয়। আর কাজ দীর্ঘ হওয়ার কারণে অনেকদিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতে হয়। তখন হিন্দু বাড়িতেই খেতে হয়। এ অবস্থায় কি আমার জন্য হিন্দু বাড়িতে খাওয়া বৈধ হবে?

উত্তর: হিন্দু বা বিধর্মীদের তৈরি হালাল খাবার মুসলমানের জন্য খাওয়া জায়েজ। আর প্রয়োজনে তাদের বাড়িতেও খানা খাওয়া জায়েজ।

তাই আপনি কাজ করতে গিয়ে প্রয়োজনে হিন্দু বাড়িতে খানা খেতে পারবেন। তবে তাদের জবাইকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া হারাম। তাই তাদের বাড়িতে মুরগি ইত্যাদির গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

অন্য ধর্মের মানুষরাও আল্লাহর বান্দা।তাদের সঙ্গে ভালো আচরণও ইসলামের শিক্ষা। অযথা তাদের সঙ্গে মন্দ আচরণ করা ইসলাম কামনা করে না। তাই যথাসাধ্য তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করতে হবে।

এতটা সহায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে যে, আমাদের আখলাক দেখে যেন তারা মুসলমান হতে আগ্রহ বোধ করে। তবে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা নিষেধ। অন্তর থেকে তাদেরকে ভালোবাসা যাবে না।

যদি কোনো প্রয়োজনে একসঙ্গে থাকার প্রয়োজন হয়, তাহলে একই রুমে থাকা জায়েজ আছে। কিন্তু লাগাতার ওঠাবসা করতে থাকলে তাদের ধর্মের প্রতি আমাদেরও মন আকৃষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তাদের সংস্পর্শ থেকে যথাসাধ্য দূরে থাকা উচিত।

তারা যেসব খাবার-দাবার দিয়ে থাকে, যদি তার মধ্যে কোন ধরনের নাপাকি না থাকে, তাহলে সেই খাবার খাওয়া জায়েজ আছে। ঠিক তেমন ভাবে একই পাত্রের মধ্যে খানা খাওয়াও জায়েজ আছে। তার টাকা হালাল হলে ওই টাকার খাবার খেতেও কোনো সমস্যা নেই।

সূত্র: আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৬৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/১৬৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৪৭; ফাতাওয়া সিরাজিয়া ৭৪

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
৯ বার পঠিত হয়েছে

অন্য ধর্মাবলম্বীদের হাতে বানানো খাবার খাওয়া জায়েজ?

আপডেট এর সময় : ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

প্রশ্ন: আমি একজন কাঠমিস্ত্রি। মানুষের বাড়িতে বাড়িতে মিস্ত্রির কাজ করি। কখনো কখনো হিন্দু বাড়িতেও কাজ করতে হয়। আর কাজ দীর্ঘ হওয়ার কারণে অনেকদিন পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করতে হয়। তখন হিন্দু বাড়িতেই খেতে হয়। এ অবস্থায় কি আমার জন্য হিন্দু বাড়িতে খাওয়া বৈধ হবে?

উত্তর: হিন্দু বা বিধর্মীদের তৈরি হালাল খাবার মুসলমানের জন্য খাওয়া জায়েজ। আর প্রয়োজনে তাদের বাড়িতেও খানা খাওয়া জায়েজ।

তাই আপনি কাজ করতে গিয়ে প্রয়োজনে হিন্দু বাড়িতে খানা খেতে পারবেন। তবে তাদের জবাইকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া হারাম। তাই তাদের বাড়িতে মুরগি ইত্যাদির গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

অন্য ধর্মের মানুষরাও আল্লাহর বান্দা।তাদের সঙ্গে ভালো আচরণও ইসলামের শিক্ষা। অযথা তাদের সঙ্গে মন্দ আচরণ করা ইসলাম কামনা করে না। তাই যথাসাধ্য তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করতে হবে।

এতটা সহায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে যে, আমাদের আখলাক দেখে যেন তারা মুসলমান হতে আগ্রহ বোধ করে। তবে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা নিষেধ। অন্তর থেকে তাদেরকে ভালোবাসা যাবে না।

যদি কোনো প্রয়োজনে একসঙ্গে থাকার প্রয়োজন হয়, তাহলে একই রুমে থাকা জায়েজ আছে। কিন্তু লাগাতার ওঠাবসা করতে থাকলে তাদের ধর্মের প্রতি আমাদেরও মন আকৃষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তাদের সংস্পর্শ থেকে যথাসাধ্য দূরে থাকা উচিত।

তারা যেসব খাবার-দাবার দিয়ে থাকে, যদি তার মধ্যে কোন ধরনের নাপাকি না থাকে, তাহলে সেই খাবার খাওয়া জায়েজ আছে। ঠিক তেমন ভাবে একই পাত্রের মধ্যে খানা খাওয়াও জায়েজ আছে। তার টাকা হালাল হলে ওই টাকার খাবার খেতেও কোনো সমস্যা নেই।

সূত্র: আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৬৯; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮/১৬৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩৪৭; ফাতাওয়া সিরাজিয়া ৭৪