ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

‘অস্তিত্বগত হুমকির’ মুখোমুখি ফিলিস্তিনিরা !

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিখ্যাত আইরিশ লেখক স্যামুয়েল বেকিট তার ট্রেজিক-কমেডি ‘ওয়েটিং ফির গড’ তে দেখিয়েছিলেন ‘existential crisis’ যার মানে দাঁড়ায় অস্তিত্বগত সমস্যা। ফেমাস এই প্লে’টি লেখা হয়েছিলো ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার-২’-এর পর সবকিছু হারানো মানুষ কীভাবে অস্তিত্ব খুঁজে বেড়াচ্ছে। আশা ছাড়া বাঁচাটা কতই না কঠিন! ঠিক একই রকম হুমকির মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনিরা।

একের পর এক বোমা হামলা, রক্ত, লাশের গন্ধ, ঘরবাড়ির ধ্বংসাবশেষ-সব মিলিয়ে গাজার ভেতরে ও বাইরে সব স্থানে ভীষণ মানবেতর জীবন পার করছে ফিলিস্তিনিরা। যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে একজন প্রবীণ গাজাবাসী বলেন, ‘আমি গাজায় যেখানেই যাই, অক্ষত বাড়ি বা স্থায়ী ভবন খুঁজতে থাকি। এখন পর্যন্ত, আমি কোনওটিই খুঁজে পাইনি।’

এমন কিছু মানুষ আছেন যারা তাঁবু স্থাপনের জন্য বেইত লাহিয়ায় ফিরে গেছেন, যেখানে তাদের বাড়ি ছিলো। তবে সেখান থেকে নিকটতম জলের উৎসগুলো অনেক দূরে। বলা যায়, দীর্ঘ যাত্রা। পানি অপরিহার্য এবং এটি ছাড়া জীবন টিকিয়ে রাখা দায় বলে জানান স্থানীয়রা।

এমন পরিস্থিতিতে কতোদিন সন্তান-পরিবার-পরিজন নিয়ে গাজায় বেঁচে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে বেশ চিন্তাগ্রস্থ ফিলিস্তিনিরা। এভাবে চলতে থাকলে ফিলিস্তিনিদের কোন অস্তিত্বই থাকবে না বলে আশঙ্কা অনেকের।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১৪ বার পঠিত হয়েছে

‘অস্তিত্বগত হুমকির’ মুখোমুখি ফিলিস্তিনিরা !

আপডেট এর সময় : ০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিখ্যাত আইরিশ লেখক স্যামুয়েল বেকিট তার ট্রেজিক-কমেডি ‘ওয়েটিং ফির গড’ তে দেখিয়েছিলেন ‘existential crisis’ যার মানে দাঁড়ায় অস্তিত্বগত সমস্যা। ফেমাস এই প্লে’টি লেখা হয়েছিলো ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার-২’-এর পর সবকিছু হারানো মানুষ কীভাবে অস্তিত্ব খুঁজে বেড়াচ্ছে। আশা ছাড়া বাঁচাটা কতই না কঠিন! ঠিক একই রকম হুমকির মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনিরা।

একের পর এক বোমা হামলা, রক্ত, লাশের গন্ধ, ঘরবাড়ির ধ্বংসাবশেষ-সব মিলিয়ে গাজার ভেতরে ও বাইরে সব স্থানে ভীষণ মানবেতর জীবন পার করছে ফিলিস্তিনিরা। যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে একজন প্রবীণ গাজাবাসী বলেন, ‘আমি গাজায় যেখানেই যাই, অক্ষত বাড়ি বা স্থায়ী ভবন খুঁজতে থাকি। এখন পর্যন্ত, আমি কোনওটিই খুঁজে পাইনি।’

এমন কিছু মানুষ আছেন যারা তাঁবু স্থাপনের জন্য বেইত লাহিয়ায় ফিরে গেছেন, যেখানে তাদের বাড়ি ছিলো। তবে সেখান থেকে নিকটতম জলের উৎসগুলো অনেক দূরে। বলা যায়, দীর্ঘ যাত্রা। পানি অপরিহার্য এবং এটি ছাড়া জীবন টিকিয়ে রাখা দায় বলে জানান স্থানীয়রা।

এমন পরিস্থিতিতে কতোদিন সন্তান-পরিবার-পরিজন নিয়ে গাজায় বেঁচে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে বেশ চিন্তাগ্রস্থ ফিলিস্তিনিরা। এভাবে চলতে থাকলে ফিলিস্তিনিদের কোন অস্তিত্বই থাকবে না বলে আশঙ্কা অনেকের।