
অনলাইন ডেস্ক: অনেকেই সময় বাঁচাতে আগে থেকেই বেশি আটা মেখে রেখে দেয়। তবে এই অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।পুষ্টিবিদরা বলছেন, ফ্রিজে রাখা ময়দা ধীরে ধীরে এমন কিছু রাসায়নিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় যা স্বাদ ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।
বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন, ফ্রিজ ময়দা ঠান্ডা রাখলেও গাঁজন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে পারে না। ইস্ট ধীরে ধীরে কাজ করতে থাকে, যার ফলে কার্বন ডাই–অক্সাইড এবং অ্যাসিড তৈরি হয়। এ কারণেই পুরোনো ময়দায় আলাদা গন্ধ আসে এবং স্বাদ কখনও টক বা তিতা লাগে।
ব্যাকটেরিয়া ও হজমের সমস্যা
ময়দা ২৪ ঘণ্টার বেশি রেখে দিলে অতিরিক্ত গাঁজনের ফলে গ্লুটেন ভাঙতে শুরু করে। গ্লুটেন কমে গেলে ময়দা আঠালো ও ভারী হয়ে যায়, আর রুটি শক্ত ও ঘন হয়। পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের ময়দা খেলে পেটের সমস্যা, বদহজম, গ্যাস, অম্বল ও পেটফাঁপা হতে পারে।
কমে যায় পুষ্টিগুণও
দীর্ঘসময় সংরক্ষিত ময়দায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ দ্রুত কমে যায়। এই ময়দার রুটি খিদে মেটালেও পুষ্টিমূল্য কম থাকে। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, পুরোনো ইস্টমেশানো ময়দার স্টার্চ দ্রুত ভেঙে যায়। এর ফলে রক্তে চিনির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে, যা বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা গ্লুকোজ–সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
ময়দা নিরাপদে সংরক্ষণের উপায়—