
দিন শেষে যদি দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন হয় না, তখনই টের পাওয়া যায় ম্যানুয়াল পদ্ধতির বিপদ। বস্ত্রশিল্পে এটি খুবই ক্রান্তীয় সমস্যা, কারণ এখানে প্রতি মুহূর্তের হিসাবটা জরুরি। কিন্তু এখনো আমাদের বেশির ভাগ তৈরি পোশাক কারখানায় সার্বক্ষণিকভাবে উৎপাদন পর্যবেক্ষণ বা ট্র্যাক করা হয় না। একই সঙ্গে হাতে হাতে হিসাব করার কারণে ভুলভ্রান্তিসহ কর্মীদের দক্ষতাও আশানুরূপ হয় না।
পোশাকশিল্পে কাজ করার সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের স্নাতক বি এম শরীফ ভেবেছেন কী করে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব। ‘আমার মনে হয়েছে, কাপড় কাটা থেকে শুরু করে পোশাক প্রস্তুত করে তা কারখানা থেকে বের হওয়ার সময় পর্যন্ত পুরোটা যদি সহজভাবে ট্র্যাক করা যায়, তাহলে তা একদিকে সাশ্রয়ী হবে এবং অন্যদিকে কর্মীদের দক্ষতাও বাড়াবে’—মিরপুরে নিজের অফিস বসে বলছিলেন শরীফ। ‘তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ব্যবস্থাটা যেন সহজ হয়, পোশাকশিল্পের কর্মীরা যেন সহজেই সেটা ব্যবহার করতে পারেন।’ আর এই চিন্তার ফসল হলো পোশাকশিল্পের জন্য বিশেষায়িত সফটওয়্যার ‘প্রোট্র্যাকার’।