1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admink
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
জলাবদ্ধতা রোধ ও পানি সংরক্ষণে খাল খনন কর্মসূচি: প্রধানমন্ত্রী ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননে ১২ জন নিহত মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের জন্য ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের গরমে সুস্থ থাকতে জেনে নিন শসা খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লা মুন হাসপাতালের ন্যাক্কারজনক প্রতারণা- হসপিটালে মানুষের জীবন নিয়ে এমন খেলা কেন?

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট: কুমিল্লা নগরীর মুন হাসপাতালে ৩৪ হাজার টাকা নিয়ে রোগীকে নকল ইনজেকশন দিলেন চিকিৎসক। এমন অভিযোগ করে বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন রোগীর এক স্বজন। জীবন নিউজ ২৪ ডট কম এর পাঠকদের জন্য হুবহু পোস্টটি তুলে ধরা হলো:
আজকে আমি বন্ধু সাব্বির Ahmad Sabbir ও তার পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লার মুন হাসপাতালে ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। সাব্বিরের মা দীর্ঘদিন কোমরের ব্যথায় ভুগছিলেন এবং প্রায় তিন মাস ধরে মুন হাসপাতালের ডাঃ আশরাফের অধীনে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। প্রতি সপ্তাহ কিংবা পনেরো দিন পরপর ডাক্তারের সঙ্গে দেখা হতো, প্রতিবারই ওষুধ পরিবর্তন হতো, কিন্তু অবস্থার কোনো উন্নতি দেখা যেত না।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিবারই ডাক্তার একই পরিমাণ ভিজিট চার্জ নিতেন—যা সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে কম হওয়া উচিত ছিল। যাই হউক…
আজকের ঘটনার শুরু এখান থেকেই। ডাক্তার আশরাফ বলেন, কোমরের ব্যাথা কমানোর জন্য একটি ইনজেকশন দিতে হবে যার মূল্য ৩৬,০০০ টাকা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ইনজেকশন বাইরে কোথাও পাওয়া যাবে না, শুধু তার কাছ থেকেই নিতে হবে। কিছু দরদাম করে শেষে ইনজেকশনটি ৩৪,০০০ টাকায় দেওয়া হয় এবং সেটি সরাসরি সাব্বিরের মাকে প্রয়োগ করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করেন ডাক্তারের নিজস্ব সহকারী (পিএইচ)।
কিন্তু ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সাব্বিরের মায়ের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। হঠাৎ সাব্বিরের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বোনের চোখ পড়ে ইনজেকশনের প্যাকেটের ওপর- ঔষধের গায়ে লেখা নাম এবং কার্টুনে থাকা ওষুধের নামের মধ্যে কোনো মিল নেই! বোতলটা ভালো করে নাড়াচাড়া করে দেখতে পান, এটা আসলে নকল ইনজেকশন। মূল ওষুধের নামের স্টিকার জাল করে নকল ইনজেকশনের ওপর লাগানো হয়েছে!
ঘটনা দ্রুত হাসপাতালজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ডাক্তার আশরাফের সহকারী পিএইচ তখনই সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সাব্বিরের কয়েকজন বন্ধু ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেয় এবং আরও বড় অনিয়মের প্রমাণ পায়। শেষমেশ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, চাপে পড়ে ৩৪,০০০ টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেয়।
আমার প্রশ্ন একটাই- একজন মানুষের জীবনের মূল্য কি শুধুই ৩৪,০০০ টাকা? কেন এই অবাধ অনিয়ম? কেন একজন রোগীকে জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে কেবল টাকার জন্য এমন প্রতারণা চলতে থাকবে? হাসপাতালের ভেতরে এইভাবে নকল ওষুধ ব্যবহার করে যদি মৃত্যুর মিছিল বাড়ে, তাহলে এর দায় কে নেবে?
হট্রগলে উপস্থিত থাকা কয়েকজন ব্যাক্তি জানায় কিছুদিন আগে নকল ঔষধ প্রয়োগ করায় একজনের মৃত্যু হয় পরে বিষয়টি টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়।
সাব্বিরের মায়ের যদি আজ কিছু হয়ে যায়, তার দায়ভার কে নেবে? নাকি আমরা আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু দেখার জন্য প্রস্তুত থাকবো?
আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা চাই প্রতিটি প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। একটি বৈষম্যহীন, মানবিক বাংলাদেশে এখনও কেন এমন অনিয়মের ছড়াছড়ি?
শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে অনুরোধ এই পোস্টটি যত বেশি সম্ভব শেয়ার করুন। বিষয়টি যেনো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌছাতে পারে। আপনার একটি শেয়ার একটি পরিবারকে ন্যায়বিচার পেতে সহায়তা করতে পারে। ধন্যবাদ

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews