ঢাকা , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo বিভিন্ন খাতে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন Logo উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রণয়ন হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী Logo জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মারুবেনি কর্পোরেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ Logo কুমিল্লা-৬ আসনের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মনিরুল হক চৌধুরীর মতবিনিময় Logo ফেনীতে পৃথক অভিযানে ৩৯ কেজি গাঁজা, ইয়াবা ও ইস্কাপসহ আটক ৪

বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ

বজলুর রহমান

রাজধানী ডেমরা স্টাফ কোয়াটার বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন (রেজি নং-বি-২২০৯) ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মহান মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়শুক্রবার(১ মে) সকাল ৯: টায় আলেপ খান ফাউন্ডেশন মার্কেট হইতে সারুলিয়া, রাণীমহল, মাদরাসা রোড, ব্যাংক কলোনি হয়ে তায়েব আলী রোড হয়ে আমতলা বড় ভাংঙ্গা, হাজীনগর, বামৈল, স্টাফ কোয়াটার গিয়ে শেষ হয়।

পরে বেলা ১১ টার সময় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়,আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, ডেমরা থানা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনিসুজ্জামান (জামান) সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস হাওলাদার। উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাইয়ুম হাওলাদার।
বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস হাওলাদার তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমরা নির্মাণ শ্রমিক অধিকার আদায় নিয়ে কাজ করেছি এবং আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ১২ দফা দাবি করি। আমরা বাংলাদেশের নির্মাণ কাজ করি। বহুতল ভবন, অফিস-আদালত, বাসস্থান, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ ইত্যাদি রং, গ্রীল, টাইলস, সেনেটারী, দরজা-জানালা, থাইসহ বিভিন্ন প্রকার নির্মাণ কাজ করে থাকি এবং এসব কাজের সাথে জড়িত। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। কাগজে-কলমে আমরা ৩৫ লক্ষ পরিবার। সরকারি ভাবে আমরা কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাই না। তাই আমাদের নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ১২ দফা দাবি। নিম্নে পেশ করা হলো: (১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালের শ্রমিক আইন অনুযায়ী কোনো শ্রমিক কর্মস্থলে আহত বা নিহত হলে, ২ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য ছিলো। এখন কোনো শ্রমিক কর্মস্থলে আহত বা নিহত হলে, তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ। হিসাবে ১০-১৫ লক্ষ টাকা ধার্য করতে হবে। (২)বাসস্থানের নিশ্চয়তা দিতে হবে (৩) নদী ভাঙ্গা দূর্যোগে শ্রমিকদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে (৪)প্রত্যেক শ্রমিকদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে হবে। (৫)রেশন ব্যবস্থায় প্রতি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।(৬)শতকরা ৩০% কাজের মজুরী বাড়াতে হবে। (৭) সরকারি শ্রমিকদের সাধারন ছুটি ১৬৫ দিন, প্রাইভেট কোম্পানির শ্রমিকের সাধারন ছুটি ১০৪ দিন। এখানে সরকারি ও বেসরকারি দুই শ্রমিকই বছরে ২টি বোনাস পায়। আমরা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কোনো সাধারন ছুটি পাইনা। তাই আমাদের বছরে ৫২ দিনের সাধারন ছুটির ব্যবস্থা করা হোক(৮)নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে প্রায় সময় আমাদের রড, সিমেন্ট, রং সহ রাসায়নিক পদার্থ যুক্ত পণ্য দিয়ে কাজ করে দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। তখন আমরা সরকারি কোনো সহযোগিতা পাইনা। তাই আমাদের ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (৯)প্রতি শ্রমিকের নির্মাণ কর্মস্থলে সেফটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (১০) প্রবাসী নির্মাণ শ্রমিকদের বিদেশে যাতায়াত ব্যবস্থায় স্বল্প পরিমান খরচ নির্ধারন করতে হবে।
(১১)প্রবাসী শ্রমিক যারা কর্মস্থলে নির্যাতিত হচ্ছে তাদের সহযোগিতা দিয়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে
হবে(১২) প্রতি খাতের শ্রমিকদের মতো, নির্মাণ শ্রমিকদের জন্যও বাজেট তৈরি করে শিল্প খাতে বাংলাদেশে নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশেরে নাম যুক্ত করতে হবে। বর্তমান যোগ্য মূল্য বাজার হিসাবে সাধারণ একজন শ্রমিকের নূন্যতম ১০০০ (এক হাজার) টাকা এবং একজন লেবার পারিশ্রমিক হওয়া উচিত নূন্যতম ৮০০ (আটশত) টাকা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির নেতা সদস্য শ্রমিকসহ প্রমুখ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
৭৮ বার পঠিত হয়েছে

বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ

আপডেট এর সময় : ১১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

রাজধানী ডেমরা স্টাফ কোয়াটার বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশন (রেজি নং-বি-২২০৯) ডেমরা থানা কমিটির পক্ষ থেকে মহান মে দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়শুক্রবার(১ মে) সকাল ৯: টায় আলেপ খান ফাউন্ডেশন মার্কেট হইতে সারুলিয়া, রাণীমহল, মাদরাসা রোড, ব্যাংক কলোনি হয়ে তায়েব আলী রোড হয়ে আমতলা বড় ভাংঙ্গা, হাজীনগর, বামৈল, স্টাফ কোয়াটার গিয়ে শেষ হয়।

পরে বেলা ১১ টার সময় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়,আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন, ডেমরা থানা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনিসুজ্জামান (জামান) সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস হাওলাদার। উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাইয়ুম হাওলাদার।
বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির সভাপতি মোঃ ইউনুস হাওলাদার তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৬ সাল পর্যন্ত আমরা নির্মাণ শ্রমিক অধিকার আদায় নিয়ে কাজ করেছি এবং আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ১২ দফা দাবি করি। আমরা বাংলাদেশের নির্মাণ কাজ করি। বহুতল ভবন, অফিস-আদালত, বাসস্থান, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ ইত্যাদি রং, গ্রীল, টাইলস, সেনেটারী, দরজা-জানালা, থাইসহ বিভিন্ন প্রকার নির্মাণ কাজ করে থাকি এবং এসব কাজের সাথে জড়িত। আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। কাগজে-কলমে আমরা ৩৫ লক্ষ পরিবার। সরকারি ভাবে আমরা কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাই না। তাই আমাদের নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ১২ দফা দাবি। নিম্নে পেশ করা হলো: (১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালের শ্রমিক আইন অনুযায়ী কোনো শ্রমিক কর্মস্থলে আহত বা নিহত হলে, ২ লক্ষ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য ছিলো। এখন কোনো শ্রমিক কর্মস্থলে আহত বা নিহত হলে, তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ। হিসাবে ১০-১৫ লক্ষ টাকা ধার্য করতে হবে। (২)বাসস্থানের নিশ্চয়তা দিতে হবে (৩) নদী ভাঙ্গা দূর্যোগে শ্রমিকদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে (৪)প্রত্যেক শ্রমিকদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে হবে। (৫)রেশন ব্যবস্থায় প্রতি শ্রমিককে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।(৬)শতকরা ৩০% কাজের মজুরী বাড়াতে হবে। (৭) সরকারি শ্রমিকদের সাধারন ছুটি ১৬৫ দিন, প্রাইভেট কোম্পানির শ্রমিকের সাধারন ছুটি ১০৪ দিন। এখানে সরকারি ও বেসরকারি দুই শ্রমিকই বছরে ২টি বোনাস পায়। আমরা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কোনো সাধারন ছুটি পাইনা। তাই আমাদের বছরে ৫২ দিনের সাধারন ছুটির ব্যবস্থা করা হোক(৮)নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে প্রায় সময় আমাদের রড, সিমেন্ট, রং সহ রাসায়নিক পদার্থ যুক্ত পণ্য দিয়ে কাজ করে দূর্ঘটনার শিকার হতে হয়। তখন আমরা সরকারি কোনো সহযোগিতা পাইনা। তাই আমাদের ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (৯)প্রতি শ্রমিকের নির্মাণ কর্মস্থলে সেফটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। (১০) প্রবাসী নির্মাণ শ্রমিকদের বিদেশে যাতায়াত ব্যবস্থায় স্বল্প পরিমান খরচ নির্ধারন করতে হবে।
(১১)প্রবাসী শ্রমিক যারা কর্মস্থলে নির্যাতিত হচ্ছে তাদের সহযোগিতা দিয়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করতে
হবে(১২) প্রতি খাতের শ্রমিকদের মতো, নির্মাণ শ্রমিকদের জন্যও বাজেট তৈরি করে শিল্প খাতে বাংলাদেশে নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশেরে নাম যুক্ত করতে হবে। বর্তমান যোগ্য মূল্য বাজার হিসাবে সাধারণ একজন শ্রমিকের নূন্যতম ১০০০ (এক হাজার) টাকা এবং একজন লেবার পারিশ্রমিক হওয়া উচিত নূন্যতম ৮০০ (আটশত) টাকা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের ডেমরা থানার কমিটির নেতা সদস্য শ্রমিকসহ প্রমুখ।