ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ Logo চলতি ২০২৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না ওপেনএআই Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী Logo সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে কৃষক কার্ডে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১,১০,৩৬৪ কৃষক : কৃষিমন্ত্রী Logo আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী Logo হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্ষদে নতুন চার ব্যাংকের প্রস্তাব

প্রতিনিধির নাম :

বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানাধীন ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া পর্ষদ সভায় আরও তিনটি ব্যাংকের লাইসেন্স নেয়ার আবেদনের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আবেদনপত্রে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ঘাটতি থাকায় আলোচনা বেশিদূর এগোয়নি। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় আরও কাগজপত্র চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে বাংলা ব্যাংক, সিটিজেন ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর এক পর্ষদ সভায় পুলিশ ব্যাংকের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। এটি হবে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

কয়েক দিন আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। আর নতুন ব্যাংক দেয়া সঠিক হবে না। তার পরও একটি নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হল। আরও তিনটি দেয়ার প্রক্রিয়ায় থাকল।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশ বাণিজ্যিকভাবে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে ২০১৭ সাল থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মূলধনের ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ শুরু করে। পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে গত ফেব্র“য়ারিতে মূলধন সংগ্রহ শেষ হয়।

গুলশানে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে করা হয়েছে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়। এরই মধ্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে মিডল্যান্ড ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মশিউল হক চৌধুরীকে।

শুরুতে ঢাকাসহ সারা দেশে ছয়টি শাখায় ব্যাংকের কার্যক্রম চলবে। পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রচলিত অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতোই এর কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সব ধরনের গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন এই ব্যাংকে। তবে পুলিশ সদস্যরা স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।সারা দেশে পুলিশের এক লাখ ৬৬ হাজার সদস্য মূলধনের পুরো টাকা জোগান দিয়েছেন। তবে যারা তিন বছরের মধ্যে অবসরে যাবেন তাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়নি। অবশ্য তারাও ব্যাংকের সব সুবিধা পাবেন। ব্যাংকটি লাভজনক হলে তিন বছর পর মূলধন জোগানের ওপর প্রত্যেকে নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ পাবেন। তা ছাড়া আরও বেশ কিছু সুবিধা পাবেন পুলিশ সদস্যরা। জমি কেনা, বাড়ি নির্মাণ, ব্যবসা উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সদস্যরা স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

নিয়ম অনুযায়ী এখন পুলিশ ব্যাংকের নামে লেটার অব ইনট্যান্ট বা সম্মতিপত্র ইস্যু করা হবে। এরপর তাদের নামে লাইসেন্স দেয়া হবে।

সূত্র জানায়, বাংলা ব্যাংকের মালিকানায় রয়েছে বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। গ্রুপের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি মোরশেদ আলম। একই গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন জসিম উদ্দিন। তিনি বাংলা ব্যাংকের পর্ষদের চেয়ারম্যান।

পিপলস ব্যাংকের পর্ষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতা এমএ কাসেম এবং সিটিজেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মা জাহানারা হক।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম রাতে যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক তিনজনের বিষয়ে উচ্চ আদালতে কর সংক্রান্ত মামলা চলছে। সেগুলো নিষ্পত্তি করে আমাদের জানালে পর্ষদ সেটির অনুমোদন দেবে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এমএ কাশেম। এই ব্যাংকের উদ্যোক্তা এমএ কাশেমের বিদেশে কী পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে তা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠালে তা পর্ষদে উপস্থাপন করা হবে। পর্ষদ সেটি বিবেচনা করে ব্যাংক স্থাপনের আগ্রহপত্র (লেটার অব ইনট্যান্ট) দেবে।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, সিটিজেন ব্যাংকের প্রস্তাবে কিছু ঘাটতি রয়েছে। সেগুলা ঠিকঠাক করে উপস্থাপন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিধি মোতাবেক, ১০ লাখ টাকা আবেদন ফি দিয়ে এবং ৪০০ কোটি টাকা জোগান দিয়ে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হয়। তবে আগের মেয়াদে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও এবার সেটি করা হয়নি।

টানা দুই মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম মেয়াদে নয়টি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৫৮। এর মধ্যে ৪০টি বেসরকারি খাতের, ৯টি রাষ্ট্রায়ত্ত ও ৯টি বিদেশি মালিকানার ব্যাংক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮
১২ বার পঠিত হয়েছে

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্ষদে নতুন চার ব্যাংকের প্রস্তাব

আপডেট এর সময় : ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানাধীন ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া পর্ষদ সভায় আরও তিনটি ব্যাংকের লাইসেন্স নেয়ার আবেদনের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আবেদনপত্রে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ঘাটতি থাকায় আলোচনা বেশিদূর এগোয়নি। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় আরও কাগজপত্র চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে বাংলা ব্যাংক, সিটিজেন ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এতে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর এক পর্ষদ সভায় পুলিশ ব্যাংকের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। এটি হবে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

কয়েক দিন আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে। আর নতুন ব্যাংক দেয়া সঠিক হবে না। তার পরও একটি নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হল। আরও তিনটি দেয়ার প্রক্রিয়ায় থাকল।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পুলিশ বাণিজ্যিকভাবে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে ২০১৭ সাল থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে মূলধনের ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহ শুরু করে। পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে গত ফেব্র“য়ারিতে মূলধন সংগ্রহ শেষ হয়।

গুলশানে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে করা হয়েছে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়। এরই মধ্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে মিডল্যান্ড ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি মশিউল হক চৌধুরীকে।

শুরুতে ঢাকাসহ সারা দেশে ছয়টি শাখায় ব্যাংকের কার্যক্রম চলবে। পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মালিকানায় ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হলেও প্রচলিত অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতোই এর কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সব ধরনের গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন এই ব্যাংকে। তবে পুলিশ সদস্যরা স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।সারা দেশে পুলিশের এক লাখ ৬৬ হাজার সদস্য মূলধনের পুরো টাকা জোগান দিয়েছেন। তবে যারা তিন বছরের মধ্যে অবসরে যাবেন তাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়নি। অবশ্য তারাও ব্যাংকের সব সুবিধা পাবেন। ব্যাংকটি লাভজনক হলে তিন বছর পর মূলধন জোগানের ওপর প্রত্যেকে নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ পাবেন। তা ছাড়া আরও বেশ কিছু সুবিধা পাবেন পুলিশ সদস্যরা। জমি কেনা, বাড়ি নির্মাণ, ব্যবসা উদ্যোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সদস্যরা স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

নিয়ম অনুযায়ী এখন পুলিশ ব্যাংকের নামে লেটার অব ইনট্যান্ট বা সম্মতিপত্র ইস্যু করা হবে। এরপর তাদের নামে লাইসেন্স দেয়া হবে।

সূত্র জানায়, বাংলা ব্যাংকের মালিকানায় রয়েছে বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। গ্রুপের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি মোরশেদ আলম। একই গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন জসিম উদ্দিন। তিনি বাংলা ব্যাংকের পর্ষদের চেয়ারম্যান।

পিপলস ব্যাংকের পর্ষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতা এমএ কাসেম এবং সিটিজেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মা জাহানারা হক।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম রাতে যুগান্তরকে বলেন, পুলিশের ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক তিনজনের বিষয়ে উচ্চ আদালতে কর সংক্রান্ত মামলা চলছে। সেগুলো নিষ্পত্তি করে আমাদের জানালে পর্ষদ সেটির অনুমোদন দেবে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এমএ কাশেম। এই ব্যাংকের উদ্যোক্তা এমএ কাশেমের বিদেশে কী পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে তা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠালে তা পর্ষদে উপস্থাপন করা হবে। পর্ষদ সেটি বিবেচনা করে ব্যাংক স্থাপনের আগ্রহপত্র (লেটার অব ইনট্যান্ট) দেবে।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, সিটিজেন ব্যাংকের প্রস্তাবে কিছু ঘাটতি রয়েছে। সেগুলা ঠিকঠাক করে উপস্থাপন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিধি মোতাবেক, ১০ লাখ টাকা আবেদন ফি দিয়ে এবং ৪০০ কোটি টাকা জোগান দিয়ে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হয়। তবে আগের মেয়াদে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও এবার সেটি করা হয়নি।

টানা দুই মেয়াদ ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম মেয়াদে নয়টি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৫৮। এর মধ্যে ৪০টি বেসরকারি খাতের, ৯টি রাষ্ট্রায়ত্ত ও ৯টি বিদেশি মালিকানার ব্যাংক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।