ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

কোরবানির গরু কেজি দরে বিক্রি

প্রতিনিধির নাম :

আস্ত গরুর ওজন হচ্ছে ডিজিটাল মেশিনে। কোরবানির বাজার সামনে রেখে প্রতি কেজি গরুর দাম রাখা হচ্ছে ৩৯০ টাকা। কেজি দরে গরু বিক্রির এমন একটি খামার গড়ে উঠেছে রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিসডাং ডাংপাড়া গ্রামে।

এই খামার মালিকের দাবি, তাঁদের খামারে গরুকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। গরু দেখে পছন্দ হলে কিছু টাকা বায়না করে গরু খামারেই রেখে আসা যায়। কোরবানির আগে সুবিধাজনক সময়ে ক্রেতা গরু নিয়ে আসতে পারেন। ওই সময় পর্যন্ত খামারে গরুকে খাওয়ানোর জন্য আলাদা কোনো অর্থ দিতে হবে না। টাকা পরিশোধের সময় গরুর যে ওজন হবে শুধু সেই হিসেবে দাম দিতে হবে। ওই খামারের লোকজন বলছেন, তাঁরা হিসাব করে দেখেছেন গরুর মোট ওজনের ৬৫ শতাংশ খাওয়ার মাংস পাওয়া যায়। তিন বছরেই তাঁদের খামারটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গত ২৫ জুলাই থেকে গরু বিক্রি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁদের খামারের ৫০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। আর বিক্রয়যোগ্য ২৫টি গরু খামারে রয়েছে। এই খামার থেকে এবার সর্বোচ্চ ৮০০ কেজি ওজনের একটি গরু বিক্রি করা হয়েছে। এটি ‘ব্রাহামা’ জাতের। এ ছাড়া রয়েছে ৬০০ কেজি ওজনের বলদ ও সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ কেজি ওজনের ষাঁড়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯
১৫ বার পঠিত হয়েছে

কোরবানির গরু কেজি দরে বিক্রি

আপডেট এর সময় : ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৯

আস্ত গরুর ওজন হচ্ছে ডিজিটাল মেশিনে। কোরবানির বাজার সামনে রেখে প্রতি কেজি গরুর দাম রাখা হচ্ছে ৩৯০ টাকা। কেজি দরে গরু বিক্রির এমন একটি খামার গড়ে উঠেছে রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিসডাং ডাংপাড়া গ্রামে।

এই খামার মালিকের দাবি, তাঁদের খামারে গরুকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। গরু দেখে পছন্দ হলে কিছু টাকা বায়না করে গরু খামারেই রেখে আসা যায়। কোরবানির আগে সুবিধাজনক সময়ে ক্রেতা গরু নিয়ে আসতে পারেন। ওই সময় পর্যন্ত খামারে গরুকে খাওয়ানোর জন্য আলাদা কোনো অর্থ দিতে হবে না। টাকা পরিশোধের সময় গরুর যে ওজন হবে শুধু সেই হিসেবে দাম দিতে হবে। ওই খামারের লোকজন বলছেন, তাঁরা হিসাব করে দেখেছেন গরুর মোট ওজনের ৬৫ শতাংশ খাওয়ার মাংস পাওয়া যায়। তিন বছরেই তাঁদের খামারটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গত ২৫ জুলাই থেকে গরু বিক্রি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁদের খামারের ৫০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। আর বিক্রয়যোগ্য ২৫টি গরু খামারে রয়েছে। এই খামার থেকে এবার সর্বোচ্চ ৮০০ কেজি ওজনের একটি গরু বিক্রি করা হয়েছে। এটি ‘ব্রাহামা’ জাতের। এ ছাড়া রয়েছে ৬০০ কেজি ওজনের বলদ ও সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ কেজি ওজনের ষাঁড়।