1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ, সেনাদের প্রতি সমর্থন মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

খালাস পেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক আ. লীগ নেতা মোবারক

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫

আখাউড়া প্রতিনিধি: একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন (দুম্বা হাজী) কে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করেছে। খালাসের বিষয়টি যমুনা নিউজকে নিশ্চিত করেন তার ছেলে মো. হাবিব উল্ল্যাহ।

বুধবার (৩০ জুলাই) মোবারক হোসেনকে খালাস চেয়ে করা আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতি বেঞ্চ।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী মামলায় ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত নেতা মোবারক হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। তিনি আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের নয়াদিল গ্রামের বাসিন্দা।

আনীত অভিযোগের মধ্যে অন্যতম, মুক্তিযুদ্ধের সময় মোবারক হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দুদের মন্দির দখল ও মূর্তি ভাংচুর করে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল।

এর আগে, ২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও লুটপাটের পাঁচটি ঘটনায় অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ১৬ মে সূচনা বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনেন। ৫টি অভিযোগের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া থানার টানমান্দাইল ও জাঙ্গাইল গ্রামে ৩৩ জনকে হত্যা, আনন্দময়ী কালীবাড়ী রাজাকার ক্যাম্পে আশুরঞ্জন দেবকে নির্যাতন, ছাতিয়ান গ্রামের আব্দুল খালেককে হত্যা, শ্যামপুর গ্রামের দু’জনকে অপহরণ করে একজনকে হত্যা এবং খরমপুর গ্রামের একজনকে আটক রেখে নির্যাতন। এসব অপরাধ ১৯৭১ সালের আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

২০১৩ সালের ২০ মে মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রসিকিউশনের মোট ১২ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছে। এরা হলেন- মামলার মুক্তিযোদ্ধা দারুল ইসলাম, শহীদ আব্দুল খালেকের মেয়ে খোদেজা বেগম ও ছেলে রফিকুল ইসলাম, মো. খাদেম হোসেন খান, আলী আকবর, মো. আব্দুল মালেক, মুক্তিযোদ্ধা ননী গোপাল মল্লিক, আব্দুস সামাদ, শহীদজায়া ভানু বিবি, আব্দুল হামিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট চমন সিকান্দার জুলকারনাইন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামল চৌধুরী।

একাত্তর পরবর্তী সময়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করলেও পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন এবং এক পর্যায়ে আখাউড়ার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন। পরে দুই বছর মেয়াদে থাকাবস্তায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগ।

একাত্তরে একটি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ২০০৯ সালের ৩মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোবারকের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। তখন হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন তিনি। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর তার মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে একটিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড ও অন্যটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনাল।

তবে আপিল বিভাগের রায়ে সব অভিযোগ থেকে খালাস পাওয়ায় এখন তিনি মুক্ত।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews