ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ

নিজস্ব প্রতিনিধি

মুসলিম মোগল আমলের স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নির্দশন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদ। জেলার মসজিদের নাম আসলেই প্রথমে নাম মনে পড়ে এ মসজিদের কথা। মসজিদটি এখন জেলার গর্ব হয়ে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের হিন্দা গ্রামে এ মসজিদটি অবস্থিত। জেলা শহর থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। ইসলামী স্থাপত্য শিল্পের শৈল্পিক ছোঁয়ায় নির্মিত হয়েছে এ মসজিদটি।

১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ, বাংলা ১৩৬৫ সালে হিন্দা এলাকায় বাগমারী পীর নামে পরিচিত পীর আব্দুল গফুর চিশতী হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। চিরকুমার পীর আব্দুল গফুর চিশতীর নক্সায় আব্দুল খালেক চিশতীর তত্ববাবধানে এ মসজিদটি নির্মিত হয়।

মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৪৯.৫ ফুট ও প্রস্থ ২২.৫ ফুট। মসজিদের উত্তর পার্শ্বে ৪০ ফিট উচ্চতার একটি মিনার আছে। মসজিদের ছাদের উপরে ইসলামের ৫টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে ৫টি গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে। মাঝখানের গম্বুজটি বড় ও চার দিকে ৪টি ছোট গম্বুজ। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে দেয়ালে কাঁচের টুকরা, চিনামাটির ভাংগা টুকরা ও মোজাইক দিয়ে নক্সা করা হয়েছে।

দেয়ালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন রং দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। এখানে একসাথে ৩ থেকে ৪ শ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। বর্তমানে মসজিদটির সামনে বিশাল গেট ও সামনের অংশে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। জয়পুরহাটের ঐতিহ্যের কথা মনে হলে এই হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদের কথা সবার মনে পড়ে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
৫ বার পঠিত হয়েছে

মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ

আপডেট এর সময় : ০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

মুসলিম মোগল আমলের স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নির্দশন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদ। জেলার মসজিদের নাম আসলেই প্রথমে নাম মনে পড়ে এ মসজিদের কথা। মসজিদটি এখন জেলার গর্ব হয়ে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের হিন্দা গ্রামে এ মসজিদটি অবস্থিত। জেলা শহর থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। ইসলামী স্থাপত্য শিল্পের শৈল্পিক ছোঁয়ায় নির্মিত হয়েছে এ মসজিদটি।

১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ, বাংলা ১৩৬৫ সালে হিন্দা এলাকায় বাগমারী পীর নামে পরিচিত পীর আব্দুল গফুর চিশতী হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। চিরকুমার পীর আব্দুল গফুর চিশতীর নক্সায় আব্দুল খালেক চিশতীর তত্ববাবধানে এ মসজিদটি নির্মিত হয়।

মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৪৯.৫ ফুট ও প্রস্থ ২২.৫ ফুট। মসজিদের উত্তর পার্শ্বে ৪০ ফিট উচ্চতার একটি মিনার আছে। মসজিদের ছাদের উপরে ইসলামের ৫টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে ৫টি গম্বুজ তৈরি করা হয়েছে। মাঝখানের গম্বুজটি বড় ও চার দিকে ৪টি ছোট গম্বুজ। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে দেয়ালে কাঁচের টুকরা, চিনামাটির ভাংগা টুকরা ও মোজাইক দিয়ে নক্সা করা হয়েছে।

দেয়ালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন রং দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। এখানে একসাথে ৩ থেকে ৪ শ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। বর্তমানে মসজিদটির সামনে বিশাল গেট ও সামনের অংশে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। জয়পুরহাটের ঐতিহ্যের কথা মনে হলে এই হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদের কথা সবার মনে পড়ে।