ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা জেলা পরিষদে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ ,তদন্তের দাবি

প্রতিনিধির নাম :

মোঃ মিঠু মিয়া : স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা এর অধীন গাইবান্ধা জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সাংগঠনিক শূন্যপদ সমূহে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল এবং জেলা পরিষদ
চাকুরী বিধিমালা ১৯৯০ এর নিয়োগবিধি মোতাবেক অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য জেলা পরিষদ কার্যালয় গাইবান্ধা থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঁচটি শুন্য পদে ০১ জুলাই ২০২৪ ইং নিয়োগ আহবান করা হয়।

সেমতে হিসাবরক্ষক একজন, উচ্চমান সহকারী একজন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর একজন, ফটোকপি মেশিন অপারেটর কাম দপ্তরি একজন, অফিস সহায়ক(এম এল এস এস) একজন । ওই সকল শূন্য পদে শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ দানের জন্য দরখাস্ত আহবান করা হলে আগ্ৰহী প্রার্থীগণ দরখাস্ত করেন। কিন্তু দরখাস্তকারীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দানের জন্য ঘুষ বাণিজ্য শুরু হয়। চাকুরিপ্রার্থী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন প্রতিটি পদ অনুযায়ী ছয় থেকে ২০ লক্ষ পর্যন্ত টাকা হাকাচ্ছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তার ব্যক্তিগত সহযোগী কয়েকজন টাউট ব্যক্তি।

২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রউফ তালুকদার কে তার মুঠোফোনে এবং ল্যান্ডফোনে বারবার ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নাই। নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য জেলা সিভিল সার্জন গাইবান্ধা কানিজ ফাতেমাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, নিয়োগ বোর্ডে তার পক্ষ থেকে একজন ট্যাগ অফিচার দিয়েছেন। নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আরো বলেন, ঢাকায় একটি মিটিংয়ে আছেন।
নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য সহকারী প্রকৌশলী (ভার) মোঃ হারুনুর রশিদ জেলা পরিষদ গাইবান্ধাকে তার মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি । নিয়োগ দেওয়া অথবা চূড়ান্ত করা হয়েছে কিনা
জানতে চাইলে তিনি জানাননি। সব মিলিয়ে অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গণ।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫
৪ বার পঠিত হয়েছে

গাইবান্ধা জেলা পরিষদে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ ,তদন্তের দাবি

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া : স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা এর অধীন গাইবান্ধা জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সাংগঠনিক শূন্যপদ সমূহে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল এবং জেলা পরিষদ
চাকুরী বিধিমালা ১৯৯০ এর নিয়োগবিধি মোতাবেক অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য জেলা পরিষদ কার্যালয় গাইবান্ধা থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঁচটি শুন্য পদে ০১ জুলাই ২০২৪ ইং নিয়োগ আহবান করা হয়।

সেমতে হিসাবরক্ষক একজন, উচ্চমান সহকারী একজন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর একজন, ফটোকপি মেশিন অপারেটর কাম দপ্তরি একজন, অফিস সহায়ক(এম এল এস এস) একজন । ওই সকল শূন্য পদে শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ দানের জন্য দরখাস্ত আহবান করা হলে আগ্ৰহী প্রার্থীগণ দরখাস্ত করেন। কিন্তু দরখাস্তকারীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দানের জন্য ঘুষ বাণিজ্য শুরু হয়। চাকুরিপ্রার্থী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন প্রতিটি পদ অনুযায়ী ছয় থেকে ২০ লক্ষ পর্যন্ত টাকা হাকাচ্ছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং তার ব্যক্তিগত সহযোগী কয়েকজন টাউট ব্যক্তি।

২৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রউফ তালুকদার কে তার মুঠোফোনে এবং ল্যান্ডফোনে বারবার ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেন নাই। নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য জেলা সিভিল সার্জন গাইবান্ধা কানিজ ফাতেমাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, নিয়োগ বোর্ডে তার পক্ষ থেকে একজন ট্যাগ অফিচার দিয়েছেন। নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আরো বলেন, ঢাকায় একটি মিটিংয়ে আছেন।
নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য সহকারী প্রকৌশলী (ভার) মোঃ হারুনুর রশিদ জেলা পরিষদ গাইবান্ধাকে তার মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি । নিয়োগ দেওয়া অথবা চূড়ান্ত করা হয়েছে কিনা
জানতে চাইলে তিনি জানাননি। সব মিলিয়ে অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গণ।