ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ Logo গিনিতে ভয়াবহ ময়লার ভাগাড় ধসের পর ক্ষোভ ও হতাশা Logo ময়মনসিংহে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা Logo স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: মিল্লাত Logo ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান সরকারের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান Logo দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৮.৫৮ লাখ টাকার মাদকসহ চারজন গ্রেফতার Logo কাজাখস্তানে জাতীয় নির্বাচন, গঠিত হচ্ছে প্রেসিডেন্টপন্থী পার্লামেন্ট Logo নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গিনিতে ভয়াবহ ময়লার ভাগাড় ধসের পর ক্ষোভ ও হতাশা

প্রতিনিধির নাম :

প্রবল বৃষ্টির মধ্যে সোমবার বিশাল খননযন্ত্র দিয়ে গিনির একটি ময়লার ভাগাড়ে ধসে পড়া স্তূপের নিচে চাপা পড়া ব্যক্তিদের সন্ধান চালান উদ্ধারকর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ে তারা আগেই কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

রাজধানী কনাক্রির দার এস সালাম এলাকার ক্ষুব্ধ বাসিন্দা আবু হামজা বলেন, স্থানীয়রা বিপদের বিষয়ে গিনির কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন। রোববার ভোরে ধসে ৩১ জন প্রাণ হারান।

কনাক্রি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

প্রবল বৃষ্টির পর রাজধানীর উপকণ্ঠে ময়লার ভাগাড়টি ধসে পড়ে। এতে ২০ জনের বেশি আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়।

মৃত্যু, মানুষের চিৎকার এবং স্বজন হারানোর আর্তনাদে দার এস সালামের বাসিন্দাদের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়।

আবদুল সুমাহ নামে এক তরুণ বলেন, তার মা, দুই ভাই ও এক বোন মারা গেছেন।

আরেক তরুণ বাসিন্দা আলহাসানে কামারা জানান, গভীর রাতে তার বাড়ির ওপর ধস নামার সময় তার ছোট ভাই ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি বলেন, ‘আমি দুই ভাইয়ের সঙ্গে ঘুমাচ্ছিলাম। পেছনে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পাই। এরপর জিনিসপত্র ধসে পড়তে দেখি।’

তিনি বলেন, তাঁর দুই ছোট ভাইয়ের একজন ঘরের ভেতরেই মারা যায়। অন্যজনকে তারা উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

তার মা, দাদি ও বোনেরাও বেঁচে যান। কামারা বলেন, ‘ঈশ্বরই আমাদের রক্ষা করেছেন।’

সোমবার ধসের স্থানটি নিরাপত্তারক্ষীরা ঘিরে রাখেন। টানা বৃষ্টিতে এলাকাটি আরও কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে।

রোববার কয়েক ডজন মানুষ, যাদের মধ্যে শিশুও ছিল, বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের ও মৃতদের খুঁজতে খননযন্ত্রের পাশে ময়লার স্তূপের ওপর মরিয়া হয়ে জড়ো হয়েছিলেন। উদ্ধারকারী দলগুলো স্ট্রেচারে করে আহত ও উদ্ধার করা ব্যক্তিদের নিয়ে আসা-যাওয়া করছিল। তাদের সঙ্গে ছিলেন উদ্বিগ্ন স্বজনেরা।

শোকার্ত কয়েক ডজন নারীকে কাঁদতে এবং একে পরস্পরকে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায়।

হামজা যুব সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঘটনাস্থলে এএফপিকে বলেন, ‘আমরা তরুণরা এটি ঠেকাতে সবকিছু করেছি। আমরা সভা করেছি এবং কর্মকর্তাদের ডেকেছি। কিন্তু তারা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ময়লার ভাগাড়টি বন্ধ করতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ এক বছর আগে তারা আমাদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।’

বাসিন্দা আবুবাকার কামারা রোববার ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবে তিনি জানান, পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, ‘রাত দুইটা বা তিনটার দিকে আমরা ধসের শব্দ শুনতে পাই। বাইরে চিৎকার শুনি। সবাই চিৎকার করছিল।’

তিনি জানান, স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ই দ্বিতীয় দফা ধস নামে। এতে প্রথম ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে ছুটে যাওয়া এলাকার কয়েকজন তরুণও চাপা পড়েন।

তিনি বলেন, ‘যারা সাহায্য করতে সেখানে গিয়েছিল, তারা সবাই ধসের নিচে চাপা পড়ে।’

বাসিন্দা প্লেয়ার মাসিরে জানান, প্রথম ধসের পর তাঁর স্বামী মানুষকে উদ্ধারে গিয়েছিলেন। পরে দ্বিতীয় ধসে তিনি প্রাণ হারান।

সিরে কালো এএফপিকে বলেন, তার পাঁচ সন্তান ও স্বামী প্রাণ হারিয়েছেন।

দার এস সালাম যে গবেসিয়া কমিউনের অন্তর্ভুক্ত, তার মেয়র সোমবার জানান, তাঁর এক মেয়ে ও ছোট ছেলে পাশের একটি হাসপাতালে জীবিত আছে।

জাতীয় মানবিক জরুরি অবস্থা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (এএনজিইউসিএইচ) মহাপরিচালক লানসেই তোরে সোমবার জানান, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৫৮ জন শহরের ডিক্সিন সেন্টার এলাকার একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রায় ৭২টি পরিবার এখনো সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিপজ্জনক এলাকায় বসবাসকারীদের সরে যেতে বলা হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাসস্থান, খাবার, পোশাক ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। একটি ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি দলও মোতায়েন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে’ এবং ‘এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে’ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সরকার ময়লার ভাগাড়ের আশপাশের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া এবং এলাকা নিরাপদ করার কার্যক্রমের কথা জানায়।

এ অঞ্চলে বর্ষাকাল বিশেষভাবে দীর্ঘ ও তীব্র।

গিনির বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান নেতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী সেলু দালেইন দিয়ালো বর্তমানে নির্বাসনে রয়েছেন। তিনি বলেন, এটি ‘এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনা, যা আমাদের হতবাক ও গভীরভাবে বিচলিত করেছে’।

নির্বাসিত সাবেক গিনি প্রেসিডেন্ট আলফা কন্দে ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা’ রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আজ গিনি শোকে মুহ্যমান।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ৩৪ মিনিট আগে
১৪ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গিনিতে ভয়াবহ ময়লার ভাগাড় ধসের পর ক্ষোভ ও হতাশা

আপডেট এর সময় : ৩৪ মিনিট আগে

প্রবল বৃষ্টির মধ্যে সোমবার বিশাল খননযন্ত্র দিয়ে গিনির একটি ময়লার ভাগাড়ে ধসে পড়া স্তূপের নিচে চাপা পড়া ব্যক্তিদের সন্ধান চালান উদ্ধারকর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ে তারা আগেই কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবারের একাধিক সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

রাজধানী কনাক্রির দার এস সালাম এলাকার ক্ষুব্ধ বাসিন্দা আবু হামজা বলেন, স্থানীয়রা বিপদের বিষয়ে গিনির কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন। রোববার ভোরে ধসে ৩১ জন প্রাণ হারান।

কনাক্রি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

প্রবল বৃষ্টির পর রাজধানীর উপকণ্ঠে ময়লার ভাগাড়টি ধসে পড়ে। এতে ২০ জনের বেশি আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়।

মৃত্যু, মানুষের চিৎকার এবং স্বজন হারানোর আর্তনাদে দার এস সালামের বাসিন্দাদের জীবনে হঠাৎ নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়।

আবদুল সুমাহ নামে এক তরুণ বলেন, তার মা, দুই ভাই ও এক বোন মারা গেছেন।

আরেক তরুণ বাসিন্দা আলহাসানে কামারা জানান, গভীর রাতে তার বাড়ির ওপর ধস নামার সময় তার ছোট ভাই ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি বলেন, ‘আমি দুই ভাইয়ের সঙ্গে ঘুমাচ্ছিলাম। পেছনে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পাই। এরপর জিনিসপত্র ধসে পড়তে দেখি।’

তিনি বলেন, তাঁর দুই ছোট ভাইয়ের একজন ঘরের ভেতরেই মারা যায়। অন্যজনকে তারা উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

তার মা, দাদি ও বোনেরাও বেঁচে যান। কামারা বলেন, ‘ঈশ্বরই আমাদের রক্ষা করেছেন।’

সোমবার ধসের স্থানটি নিরাপত্তারক্ষীরা ঘিরে রাখেন। টানা বৃষ্টিতে এলাকাটি আরও কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে।

রোববার কয়েক ডজন মানুষ, যাদের মধ্যে শিশুও ছিল, বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের ও মৃতদের খুঁজতে খননযন্ত্রের পাশে ময়লার স্তূপের ওপর মরিয়া হয়ে জড়ো হয়েছিলেন। উদ্ধারকারী দলগুলো স্ট্রেচারে করে আহত ও উদ্ধার করা ব্যক্তিদের নিয়ে আসা-যাওয়া করছিল। তাদের সঙ্গে ছিলেন উদ্বিগ্ন স্বজনেরা।

শোকার্ত কয়েক ডজন নারীকে কাঁদতে এবং একে পরস্পরকে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায়।

হামজা যুব সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঘটনাস্থলে এএফপিকে বলেন, ‘আমরা তরুণরা এটি ঠেকাতে সবকিছু করেছি। আমরা সভা করেছি এবং কর্মকর্তাদের ডেকেছি। কিন্তু তারা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ময়লার ভাগাড়টি বন্ধ করতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ এক বছর আগে তারা আমাদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।’

বাসিন্দা আবুবাকার কামারা রোববার ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। তবে তিনি জানান, পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, ‘রাত দুইটা বা তিনটার দিকে আমরা ধসের শব্দ শুনতে পাই। বাইরে চিৎকার শুনি। সবাই চিৎকার করছিল।’

তিনি জানান, স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময়ই দ্বিতীয় দফা ধস নামে। এতে প্রথম ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে ছুটে যাওয়া এলাকার কয়েকজন তরুণও চাপা পড়েন।

তিনি বলেন, ‘যারা সাহায্য করতে সেখানে গিয়েছিল, তারা সবাই ধসের নিচে চাপা পড়ে।’

বাসিন্দা প্লেয়ার মাসিরে জানান, প্রথম ধসের পর তাঁর স্বামী মানুষকে উদ্ধারে গিয়েছিলেন। পরে দ্বিতীয় ধসে তিনি প্রাণ হারান।

সিরে কালো এএফপিকে বলেন, তার পাঁচ সন্তান ও স্বামী প্রাণ হারিয়েছেন।

দার এস সালাম যে গবেসিয়া কমিউনের অন্তর্ভুক্ত, তার মেয়র সোমবার জানান, তাঁর এক মেয়ে ও ছোট ছেলে পাশের একটি হাসপাতালে জীবিত আছে।

জাতীয় মানবিক জরুরি অবস্থা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (এএনজিইউসিএইচ) মহাপরিচালক লানসেই তোরে সোমবার জানান, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৫৮ জন শহরের ডিক্সিন সেন্টার এলাকার একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রায় ৭২টি পরিবার এখনো সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বিপজ্জনক এলাকায় বসবাসকারীদের সরে যেতে বলা হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাসস্থান, খাবার, পোশাক ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। একটি ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি দলও মোতায়েন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে’ এবং ‘এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে’ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সরকার ময়লার ভাগাড়ের আশপাশের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া এবং এলাকা নিরাপদ করার কার্যক্রমের কথা জানায়।

এ অঞ্চলে বর্ষাকাল বিশেষভাবে দীর্ঘ ও তীব্র।

গিনির বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান নেতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী সেলু দালেইন দিয়ালো বর্তমানে নির্বাসনে রয়েছেন। তিনি বলেন, এটি ‘এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনা, যা আমাদের হতবাক ও গভীরভাবে বিচলিত করেছে’।

নির্বাসিত সাবেক গিনি প্রেসিডেন্ট আলফা কন্দে ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা’ রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আজ গিনি শোকে মুহ্যমান।’