ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগে দ্বিতীয় যমুনা সেতু Logo উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত নেতৃত্বের আহ্বান মির্জা ফখরুলের Logo ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত ও উদ্ধার সক্ষমতা বাড়াতে বললেন তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অ্যামচ্যামের Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান

গুজবের কারণেই পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না :অর্থমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘এখন পুঁজিবাজার চালাচ্ছে রিউমার (গুজব)। এই গুজবের কারণেই পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। আমি বাজারের বিভিন্ন এজেন্সিকে রিউমারগুলো চিহ্নিত করতে বলেছি। তারা দ্রুত গুজব সমস্যার সমাধান করবে। গুজব ঠেকানোর জন্য পুঁজিবাজারের বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি বিএসইসির আইনি দুর্বলতা রয়েছে, সেগুলো দূর করতে বলেছি। প্রয়োজনে নতুন আইন করতে বলেছি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম আরো কমপ্লায়েন্স করা হবে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম, ভারপ্রাপ্ত এমডি আবদুল মতিন পাটোয়ারী, পরিচালক রকিবুর রহমান, শাকিল রিজভী বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যেগুলো ভালো ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান, সেগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসব। আমি তাদের কথা দিয়েছি। কিন্তু কবে নাগাদ নিয়ে আসা হবে সেই দিন-ক্ষণ বলা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব নিয়ে আসা হবে।’

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডিএসই অগ্রিম আয়কর মওকুফ করতে বলেছে। আমরা বিষয়টি বিবেচনা করব।’ তাদের আরেকটা দাবি ছিল, এক্সেস টু ব্যাংকিং ফাইন্যান্স। যেমনিভাবে কোনো ক্লায়েন্ট ব্যাংকে গিয়ে টাকা ধার করতে পারে, ঠিক তেমনিভাবে পুঁজিবাজারে যারা ব্যবসা করেন, তারাও সেই সুযোগটা যেন পান। আমরা বলেছি, ব্যাংক ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপের ভিত্তিতে অন্যরা যেভাবে ঋণ পায়, সুযোগ-সুবিধা পায়, পুঁজিবাজারে যারা ব্যবসা করেন, তাদের জন্যও সেই সুযোগ-সুবিধা থাকবে। সিকিউরিটি দিতে হবে। আমি তাদের বলেছি যে আমরা টাকার মূল্য কমাব না, এর কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের রেমিট্যান্স খাতেও বলা হচ্ছিল ডিভ্যালু করার জন্য। রেমিট্যান্স খাতে আমাদের ডিসেম্বর মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪০ শতাংশ। এক মাসে এক খাতে এত প্রবৃদ্ধি, এটা ইতিহাস। এটা আর কেউ ভাঙতে পারবে না। ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ায় এই সক্ষমতা অর্জন করেছি। সুতরাং কোনো খাতেই কারেন্সি ডিভ্যালু করার সম্ভাবনা নেই।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২০
১২ বার পঠিত হয়েছে

গুজবের কারণেই পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না :অর্থমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২০

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘এখন পুঁজিবাজার চালাচ্ছে রিউমার (গুজব)। এই গুজবের কারণেই পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। আমি বাজারের বিভিন্ন এজেন্সিকে রিউমারগুলো চিহ্নিত করতে বলেছি। তারা দ্রুত গুজব সমস্যার সমাধান করবে। গুজব ঠেকানোর জন্য পুঁজিবাজারের বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি বিএসইসির আইনি দুর্বলতা রয়েছে, সেগুলো দূর করতে বলেছি। প্রয়োজনে নতুন আইন করতে বলেছি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম আরো কমপ্লায়েন্স করা হবে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম, ভারপ্রাপ্ত এমডি আবদুল মতিন পাটোয়ারী, পরিচালক রকিবুর রহমান, শাকিল রিজভী বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যেগুলো ভালো ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান, সেগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসব। আমি তাদের কথা দিয়েছি। কিন্তু কবে নাগাদ নিয়ে আসা হবে সেই দিন-ক্ষণ বলা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব নিয়ে আসা হবে।’

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ডিএসই অগ্রিম আয়কর মওকুফ করতে বলেছে। আমরা বিষয়টি বিবেচনা করব।’ তাদের আরেকটা দাবি ছিল, এক্সেস টু ব্যাংকিং ফাইন্যান্স। যেমনিভাবে কোনো ক্লায়েন্ট ব্যাংকে গিয়ে টাকা ধার করতে পারে, ঠিক তেমনিভাবে পুঁজিবাজারে যারা ব্যবসা করেন, তারাও সেই সুযোগটা যেন পান। আমরা বলেছি, ব্যাংক ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপের ভিত্তিতে অন্যরা যেভাবে ঋণ পায়, সুযোগ-সুবিধা পায়, পুঁজিবাজারে যারা ব্যবসা করেন, তাদের জন্যও সেই সুযোগ-সুবিধা থাকবে। সিকিউরিটি দিতে হবে। আমি তাদের বলেছি যে আমরা টাকার মূল্য কমাব না, এর কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের রেমিট্যান্স খাতেও বলা হচ্ছিল ডিভ্যালু করার জন্য। রেমিট্যান্স খাতে আমাদের ডিসেম্বর মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪০ শতাংশ। এক মাসে এক খাতে এত প্রবৃদ্ধি, এটা ইতিহাস। এটা আর কেউ ভাঙতে পারবে না। ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ায় এই সক্ষমতা অর্জন করেছি। সুতরাং কোনো খাতেই কারেন্সি ডিভ্যালু করার সম্ভাবনা নেই।