ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টানা দ্বিতীয় দিনে আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করল রোমানিয়া Logo টাইফুন নউল চীনের দিকে ধেয়ে আসায় ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Logo ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর Logo সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী Logo হরিণাকুণ্ডুতে মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ দমকলকর্মীর প্রাণহানি Logo নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম :

চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

গত সপ্তাহ থেকে সাধারণত শুষ্ক উত্তরাঞ্চলীয় কোকিম্বো ও আতাকামা অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এসব এলাকায় এত তীব্র বৃষ্টিপাত অত্যন্ত অস্বাভাবিক।

সান্তিয়াগো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

চিলির জাতীয় জরুরি সেবা সংস্থা সেনাপ্রেডের পরিচালক আলিসিয়া সেব্রিয়ান সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন ও আহত হয়েছেন ১৭ জন। এছাড়া চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১ হাজার ১০০টির বেশি বাড়িঘর ধ্বংস অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতির ক্রমাবনতির কারণে প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত সাংবাদিকদের জানান, সোমবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা  করা হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন, জনসাধারণের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ ও দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কোকিম্বো অঞ্চলে কাদা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে।

উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিমো পাভেজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোববার এক ঘণ্টায় যত বৃষ্টি হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে তা হতে এক মাস লাগে।’

তিনি এ বৃষ্টিপাতকে ‘অস্বাভাবিক ও চরম’ বলে অভিহিত করেন।

জাতীয় আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তা আরনালদো জুনিগা এএফপিকে বলেন, গত দুই দশকে চিলিতে এত বেশি বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বছর ধরে আমরা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
২৪ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আপডেট এর সময় : ০৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

গত সপ্তাহ থেকে সাধারণত শুষ্ক উত্তরাঞ্চলীয় কোকিম্বো ও আতাকামা অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এসব এলাকায় এত তীব্র বৃষ্টিপাত অত্যন্ত অস্বাভাবিক।

সান্তিয়াগো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

চিলির জাতীয় জরুরি সেবা সংস্থা সেনাপ্রেডের পরিচালক আলিসিয়া সেব্রিয়ান সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন ও আহত হয়েছেন ১৭ জন। এছাড়া চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১ হাজার ১০০টির বেশি বাড়িঘর ধ্বংস অথবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতির ক্রমাবনতির কারণে প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত সাংবাদিকদের জানান, সোমবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা  করা হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন, জনসাধারণের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ ও দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কোকিম্বো অঞ্চলে কাদা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে।

উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিমো পাভেজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রোববার এক ঘণ্টায় যত বৃষ্টি হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে তা হতে এক মাস লাগে।’

তিনি এ বৃষ্টিপাতকে ‘অস্বাভাবিক ও চরম’ বলে অভিহিত করেন।

জাতীয় আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তা আরনালদো জুনিগা এএফপিকে বলেন, গত দুই দশকে চিলিতে এত বেশি বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বছর ধরে আমরা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি।’