
জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরে অনুমোদন ছাড়াই উৎপাদিত হচ্ছে নানা ধরণের সেমাই। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ আর নিম্নমানের পন্য দিয়ে তৈরি ও বাজারজাত হচ্ছে এসব লাচ্ছা সেমাই। সেমাই উৎপাদনে বিএসটিআই এর অনুমোদন নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও মানছেন না অনেকে।
জামালপুর সদর উপজেলার গহেরপাড়া ও বকশীগঞ্জ উপজেলার মালিপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশ তৈরি ও বাজারজাত হচ্ছে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ঈদকে সামনে রেখে নিজ বাড়িতেই লাচ্ছা সেমাই তৈরি করছেন। সেমাই উৎপাদনে কোন অনুমোদন নেই তাদের। কারিগরদের শরীরের ঘাম আর ময়লা জমা নিম্নমানের পামওয়েলে ভাজা হচ্ছে সেমাই। পড়ে তা আকর্ষণীয় মোড়কে বাজারজাত হচ্ছে অবাধে।
জামালপুর সদর উপজেলা গহেরপাড়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রসুল মিয়া এবং আব্দুস সামাদ বিএসটিআইয়ের অনুমতি ছাড়াই আরিফ লাচ্ছা ও সাজিদ লাচ্ছা সেমাই নামে সেমাই উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছেন। নোংরা পরিবেশ আর নিম্নমানের উপাদান দিয়ে সেমাই তৈরি বিষয়ে জানতে চাইলে তারা দ্রুত চলে যান। ফলে এ বিষয়ে তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসকল বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গৌতম রায় জানান, নোংরা পরিবেশে তৈরিকৃত এসব সেমাই জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুকিপূর্ণ। এসব সেমাই তৈরিতে যেসব রঙ ব্যবহৃত হয় তা খুবই নিম্নমানের। এই রঙয়ের কারণে কিডনি ও লিভারের সমস্যা হবে।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবির জানান, অনুমোদনবিহীন নিম্নমানের সেমাই উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাধমে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ অভিযান চলমান থাকবে।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরিকৃত এসব সেমাই বাজারজাত করণের আগেই প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সাধারণ ভোক্তারা।