
ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) ডা.শরীফ মোহাম্মদ ফায়জুল আলম এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)’র ভাগাভাগির দ্বন্দে কাঠালিয়া উপজেলার ৫টি এতিমখানা পূর্ব ছিটকি দারুল সুন্নাত এতিম খানা,ছোনাউটা আকবর মুসলিম উতিম খানা,খানকায়ে আশরাফিয়া এতিম খানা, উত্তর চড়াইল চানবরুনেছা এতিম খানা,জয়খালি শামীম মঞ্জিল সাহিনা এতিম খানায় ৫ টন চাউল উধাও হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, এ বছর এতিম খানার প্রতিনিধিরা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিলিফের চাল ১ টন করে ৫টি এতিমখানায় রমজান উপলক্ষে বরাদ্ধ দেয়, সে মতে সমাজ সেবা কাঠালিয়া উপজেলা অফিস সহকারি মো. রফিক ৫টি এতিমখানার প্রতিনিধিদের চিঠির মাধ্যমে চাউল নেয়ার জন্য জোর তাগিদ দেন। পরবর্তিতে এতিমের চাউল নিতে এসে বিভিন্ন দেন দরবারের কারনে হিসাব না মিলাতে পেরে প্রতিনিধিরা সমাজসেবা,পিআইও ,ইউএনও,এডিসিসহ বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা ধরেও এতিমের চাউলের ৬ মাসেও হদিস পাওয়া যায়নি ।এ বিষয়ে পূর্ব ছিটকি দারুল সুন্নাত এতিম খানা ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাও. নুরুল ইসলাম আকন বলেন,ইউএনও’র স্বাক্ষরিত একই চিঠিতে ৫টি এতিম খানার বরাদ্ধকৃত চাউল আনতে গেলে পিআইও সাহেব বলেন, ইউএনও’র সাথে যোগাযোগ করুন, ইউএনও’র সাথেযোগাযোগ করলে পিআইও’র সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।এক পর্যায়ে পিআইও বলেন, ইউএনও তোমাদের চাল বিক্রি করে খেয়েছে। এ নিয়ে নিবার্হী কর্মকর্তা আমাদের এতিমখানার চাল নিয়ে ঝালকাঠির এডিসি দোলোয়ার হোসেন মাতুব্বরের মুখোমুখি হয়েছি । কাঠাঁলিয়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ( পিআইও) মিজানুর রহমান বলেন গরীবের চাল স্যার (নিবার্হী কর্মকর্তা) বিক্রি করেছেন আমি কিভাবে দেবো । এ বিষয় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ডা: শরীফ মোহাম্মদ ফাইজুল আলম বলেন, চালের বিষয়টি পিআইও ভালো জানেন ।