ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

 ঢাকার নবাবগঞ্জে হঠাৎ করেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     ঢাকার নবাবগঞ্জে হঠাৎ করেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দাম বাড়ার আগে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছিল। তবে দাম বাড়ার পরে উধাও হয়ে গেছে তা। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় অতিরিক্ত দাম দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছেন না ক্রেতারা। তবে কিছু কিছু জায়গায় গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া গেলও সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বেশি দাম দিতে চাইলেও চাহিদা মোতাবেক গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন না ডিলাররা। ফলে দোকানগুলোতে গ্যাস এলেও তা অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

বাজার ঘুরে জানা যায়, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়বে এমন সংবাদ প্রচার হওয়ার পরই দাম বাড়িয়ে দেয় ডিলার। গত কয়েকদিন ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় প্রতিটা সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। তবে দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে।

বান্দুরার গৃহিনী সামিমা আক্তার বলেন, গতকাল হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যায়। চেষ্টা করেও গ্যাস পাচ্ছি না। দুইদিন ধরে শীতের মধ্যে মাটির চুলাতেই রান্না করতে হচ্ছে। গ্যাসের দাম বাড়ার আগেই সিন্ডিকেটরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির পাঁয়তারা করছে। সরকারের উচিত এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

সিন্ডিকেটের কথা জানান খুচরা বিক্রেতারাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রেতা জানান, ডিলারদের টাকা দিয়েও সিলিন্ডার পাচ্ছি না। তারা অল্প কিছু গ্যাস দিলেও সেটির দাম অনেক বেশি রাখছেন। ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

নবাবগঞ্জের গ্যাস ব্যবসায়ীরা জানান, নবাবগঞ্জের সবচেয়ে বড় গ্যাসের ডিলার আগলা বাজারে মেসার্স তাসনীম ট্রেডার্সের কর্ণধার আলী হোসেন ঝিলু। এ প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেই নবাবগঞ্জে গ্যাসের সিন্ডিকেট বন্ধ হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তবে এ ব্যাপারে মেসার্স তাসনীম ট্রেডার্সের মালিক আলী হোসেন ঝিলুকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জানা যায়, চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩০৬ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১২৫৩ টাকা। অর্থাৎ, জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫৩ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৩৮ টাকা।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
১৭ বার পঠিত হয়েছে

 ঢাকার নবাবগঞ্জে হঠাৎ করেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট

আপডেট এর সময় : ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:     ঢাকার নবাবগঞ্জে হঠাৎ করেই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দাম বাড়ার আগে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছিল। তবে দাম বাড়ার পরে উধাও হয়ে গেছে তা। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় অতিরিক্ত দাম দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছেন না ক্রেতারা। তবে কিছু কিছু জায়গায় গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া গেলও সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বেশি দাম দিতে চাইলেও চাহিদা মোতাবেক গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন না ডিলাররা। ফলে দোকানগুলোতে গ্যাস এলেও তা অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

বাজার ঘুরে জানা যায়, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়বে এমন সংবাদ প্রচার হওয়ার পরই দাম বাড়িয়ে দেয় ডিলার। গত কয়েকদিন ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় প্রতিটা সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। তবে দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে।

বান্দুরার গৃহিনী সামিমা আক্তার বলেন, গতকাল হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যায়। চেষ্টা করেও গ্যাস পাচ্ছি না। দুইদিন ধরে শীতের মধ্যে মাটির চুলাতেই রান্না করতে হচ্ছে। গ্যাসের দাম বাড়ার আগেই সিন্ডিকেটরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির পাঁয়তারা করছে। সরকারের উচিত এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

সিন্ডিকেটের কথা জানান খুচরা বিক্রেতারাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রেতা জানান, ডিলারদের টাকা দিয়েও সিলিন্ডার পাচ্ছি না। তারা অল্প কিছু গ্যাস দিলেও সেটির দাম অনেক বেশি রাখছেন। ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

নবাবগঞ্জের গ্যাস ব্যবসায়ীরা জানান, নবাবগঞ্জের সবচেয়ে বড় গ্যাসের ডিলার আগলা বাজারে মেসার্স তাসনীম ট্রেডার্সের কর্ণধার আলী হোসেন ঝিলু। এ প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেই নবাবগঞ্জে গ্যাসের সিন্ডিকেট বন্ধ হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তবে এ ব্যাপারে মেসার্স তাসনীম ট্রেডার্সের মালিক আলী হোসেন ঝিলুকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জানা যায়, চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩০৬ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১২৫৩ টাকা। অর্থাৎ, জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫৩ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৩৮ টাকা।