ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo এক রানেরও কম ইকোনমিতে রেকর্ড বইয়ে রবিনসন Logo শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ Logo ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট Logo বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, প্রাণহানি ৬৩৩ Logo ৭৪ জনকে চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান প্রধানমন্ত্রীর Logo গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে সিইসির বৈঠক

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এন নাসির উদ্দিন। নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা প্রস্তুতি, বাহিনীগুলোর সমন্বয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি এই বৈঠকের মূল আলোচ্য।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। পরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকে দেশের বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বাহিনীগুলোর প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

এই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন ভবনেই আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে ওই সভায় চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেবেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে ও পরে মোট পাঁচ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে বাহিনীগুলো।

এর আগে তফশিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিল ঘোষণার পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এসব বৈঠকের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিপত্রও জারি করা হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
৩৮ বার পঠিত হয়েছে

তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে সিইসির বৈঠক

আপডেট এর সময় : ০১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এন নাসির উদ্দিন। নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা প্রস্তুতি, বাহিনীগুলোর সমন্বয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি এই বৈঠকের মূল আলোচ্য।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নির্বাচন ভবনে পৌঁছান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। পরে তারা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকে দেশের বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বাহিনীগুলোর প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

এই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন ভবনেই আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে ওই সভায় চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেবেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে ও পরে মোট পাঁচ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভোটের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে বাহিনীগুলো।

এর আগে তফশিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিল ঘোষণার পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এসব বৈঠকের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিপত্রও জারি করা হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।