ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ Logo চলতি ২০২৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না ওপেনএআই Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী Logo সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে কৃষক কার্ডে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১,১০,৩৬৪ কৃষক : কৃষিমন্ত্রী Logo আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী Logo হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ

ধানে লোকসানের পর লক্ষ্যমাত্রার বেশি জমিতে আলুর চাষ

প্রতিনিধির নাম :

কয়েক দফা ধানের চাষ করে লোকসান গোনার পর নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কৃষক এবার লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আলু বুনেছেন। তারা আশা করছেন এবার বাম্পার ফলনের পাশাপাশি অনেক লাভও হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সম্ভাবনা রয়েছে সরিষা, গম ও ভুট্টার বাম্পার ফলনের। এদিকে স্থানীয় কৃষি অফিসও জানিয়েছে একই সম্ভাবনার কথা।

জানা গেছে, এ বছর বন্যা না হওয়ায় রোপা-আমন ধান কাটার পর রবিশস্যের উপযোগী চাষযোগ্য জমিতে কৃষক আগাম জাতের আলুর চাষ করেছেন। সরকারি পর্যায়ে কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণসহ রাসায়নিক সার বিনামূল্যে যথাসময়ে বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি রবিশস্য মৌসুমে এবারে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ এক হাজার চারশ ৪৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আলু চাষীদের কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরি সহযোগিতার কারণে আলুক্ষেত অনেকটা রোগ-বালাই মুক্ত। উপজেলার সদর, মিরাট, কাশিমপুর ও একডালা ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ করা।

মিরাট গ্রামের কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, এ বছর ৫ বিঘা জমিতে আলুর চাষ করেছি। হিমাগারে কিছু বীজ রেখেছিলাম আর বাকিটা কিনে জমিতে রোপণ করেছি। আলু গাছ ভালো হওয়ায় মনে হচ্ছে এবার আলুর বাম্পার ফলন পাবো। ইতিমধ্যে কিছু জমির আলু তুলে বিক্রি করে দাম ভালো পেয়েছি। বর্তমান বাজার দর অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে কৃষকরা ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে পুরোদমে ইরি-বোরো চাষ করতে পারবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় উন্নত জাতের ক্যাডিন্যাল, ডায়মন্ড ও স্থানীয় জাতের আলু চাষ করা হয়েছে। আশা করছি কৃষক হেক্টর প্রতি ১৭-১৮ মেট্রিক টন ফলন পাবেন। ইতিমধ্যেই কিছু কিছু জমি থেকে কৃষক আলু তুলে বিক্রি শুরু করেছেন। মৌসুমের শুরুতেই আলুর দর খুব ভালো ছিলো এবং বর্তমানেও ভালো আছে। আশা করছি কৃষক এবার আলুর ফলনে লাভবান হবেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০
১৫ বার পঠিত হয়েছে

ধানে লোকসানের পর লক্ষ্যমাত্রার বেশি জমিতে আলুর চাষ

আপডেট এর সময় : ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

কয়েক দফা ধানের চাষ করে লোকসান গোনার পর নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কৃষক এবার লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আলু বুনেছেন। তারা আশা করছেন এবার বাম্পার ফলনের পাশাপাশি অনেক লাভও হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সম্ভাবনা রয়েছে সরিষা, গম ও ভুট্টার বাম্পার ফলনের। এদিকে স্থানীয় কৃষি অফিসও জানিয়েছে একই সম্ভাবনার কথা।

জানা গেছে, এ বছর বন্যা না হওয়ায় রোপা-আমন ধান কাটার পর রবিশস্যের উপযোগী চাষযোগ্য জমিতে কৃষক আগাম জাতের আলুর চাষ করেছেন। সরকারি পর্যায়ে কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণসহ রাসায়নিক সার বিনামূল্যে যথাসময়ে বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি রবিশস্য মৌসুমে এবারে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ এক হাজার চারশ ৪৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আলু চাষীদের কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরি সহযোগিতার কারণে আলুক্ষেত অনেকটা রোগ-বালাই মুক্ত। উপজেলার সদর, মিরাট, কাশিমপুর ও একডালা ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আলু চাষ করা।

মিরাট গ্রামের কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, এ বছর ৫ বিঘা জমিতে আলুর চাষ করেছি। হিমাগারে কিছু বীজ রেখেছিলাম আর বাকিটা কিনে জমিতে রোপণ করেছি। আলু গাছ ভালো হওয়ায় মনে হচ্ছে এবার আলুর বাম্পার ফলন পাবো। ইতিমধ্যে কিছু জমির আলু তুলে বিক্রি করে দাম ভালো পেয়েছি। বর্তমান বাজার দর অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে কৃষকরা ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে পুরোদমে ইরি-বোরো চাষ করতে পারবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় উন্নত জাতের ক্যাডিন্যাল, ডায়মন্ড ও স্থানীয় জাতের আলু চাষ করা হয়েছে। আশা করছি কৃষক হেক্টর প্রতি ১৭-১৮ মেট্রিক টন ফলন পাবেন। ইতিমধ্যেই কিছু কিছু জমি থেকে কৃষক আলু তুলে বিক্রি শুরু করেছেন। মৌসুমের শুরুতেই আলুর দর খুব ভালো ছিলো এবং বর্তমানেও ভালো আছে। আশা করছি কৃষক এবার আলুর ফলনে লাভবান হবেন।