ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ Logo ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসকষ্ট, নিজের অজান্তেই এই রোগে ভুগছেন না তো Logo স্থায়ীভাবে অমুসলিম দেশে বসবাস করা কি বৈধ? Logo মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী Logo অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী ক্রিয়েটিভ হাবের পরিকল্পনা সরকারের Logo লেবাননে ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলা Logo চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

নামাজ পড়ি, ইবাদত করি, তবুও দোয়া কবুল হয় না কেন?

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক: আল্লাহতায়ালা সমগ্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন মানুষের সেবাদানের জন্য আর মানুষকে সৃজন করেছেন একমাত্র তারই ইবাদত করার উদ্দেশ্যে।

১. শিরকযুক্ত ঈমান: যেসব মানুষের ঈমানের সাথে শিরক মিশ্রিত আছে, তাদের কোনো প্রকার ইবাদত কবুল হবে না এবং কোনো দোয়াও কবুল হবে না।

যেমন- আল্লাহ, রাসুল ও আখেরাতের ওপর বিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও কারো অন্তরে যদি শিরকযুক্ত আকিদা-বিশ্বাস থাকে, তবে তার নামাজসহ কোনো ইবাদত কবুল হবে না এবং কোনো দোয়াও কবুল হবে না।

যেমন- কোনো নবী-রাসুল বা পীর মুর্শিদকে আল্লাহর মত হাযির-নাযির মনে করা, কোনো পীর-বুজুর্গ ইচ্ছা করলে কাউকে ধনী বা গরীব বানিয়ে দিতে পারে, সন্তান দান করতে পারে, তাদেরকে এ ধরণের শক্তি সম্পন্ন বলে বিশ্বাস রাখে।

এছাড়া সেজদায়ে তাহিয়্যা বা সম্মানসূচক সেজদার নামে কাউকে নামাজের সেজদার মত সেজদা করাকে বৈধ বা জায়েজ মনে করা। এসবই হলো শিরক যুক্ত ঈমান। এমন শিরক যুক্ত ঈমানদার ব্যক্তির ইবাদত ও দোয়া কবুল হয় না।

২. পিতামাতার অবাধ্যতা: কেউ যদি পিতামাতার অবাধ্য হয় কিংবা সংগত কারণে পিতামাতা সন্তানের প্রতি নারাজ থাকেন, তখন এমতাবস্থায় সন্তানের নামাজসহ অন্যান্য ইবাদত মাসয়ালা অনুযায়ী সহিহ হলেও পিতামাতার অবাধ্যতার কারণে আশংকা আছে যে, এমন অবাধ্য সন্তানের ইবাদত ও দোয়া কবুল হবে না- যতক্ষণ না সে নিয়মানুযায়ী তওবা করে।

৩. হারাম মাল ভক্ষণ: হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদ ভোগ করে ইবাদত ও দোয়া করলে তা কবুল হবে না। আল্লাহ তায়ালার কাছে বান্দার তওবা-এস্তেগফার ও চোখের পানি বড়ই মূল্যবান; কিন্তু হারাম উপায়ে উপার্জিত মাল ভক্ষণকারী ও লেবাস-পোশাক ব্যবহারকারী ব্যক্তি আল্লাহর দরবারে মোনাজাতের মাধ্যমে হাত উত্তোলন করে রাখতে রাখতে যদি তা অবশও হয়ে যায় এবং বিরামহীনভাবে ক্রন্দন করতে করতে যদি তার চোখের অশ্রু নিঃশেষ হয়ে যায়, তবুও তা আল্লাহ তায়ালার কাছে মূল্যহীন।

সুতরাং নিজের কষ্টে করা ইবাদত ও একান্ত করা দোয়া যেন আল্লাহর দরবারে কবুল হয়, এজন্য হারাম উপার্জন থেকে বেঁচে থাকা পূর্বশর্ত।

 

 

 

যুগান্তর থেকে সংগৃহিত

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
৪ বার পঠিত হয়েছে

নামাজ পড়ি, ইবাদত করি, তবুও দোয়া কবুল হয় না কেন?

আপডেট এর সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: আল্লাহতায়ালা সমগ্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন মানুষের সেবাদানের জন্য আর মানুষকে সৃজন করেছেন একমাত্র তারই ইবাদত করার উদ্দেশ্যে।

১. শিরকযুক্ত ঈমান: যেসব মানুষের ঈমানের সাথে শিরক মিশ্রিত আছে, তাদের কোনো প্রকার ইবাদত কবুল হবে না এবং কোনো দোয়াও কবুল হবে না।

যেমন- আল্লাহ, রাসুল ও আখেরাতের ওপর বিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও কারো অন্তরে যদি শিরকযুক্ত আকিদা-বিশ্বাস থাকে, তবে তার নামাজসহ কোনো ইবাদত কবুল হবে না এবং কোনো দোয়াও কবুল হবে না।

যেমন- কোনো নবী-রাসুল বা পীর মুর্শিদকে আল্লাহর মত হাযির-নাযির মনে করা, কোনো পীর-বুজুর্গ ইচ্ছা করলে কাউকে ধনী বা গরীব বানিয়ে দিতে পারে, সন্তান দান করতে পারে, তাদেরকে এ ধরণের শক্তি সম্পন্ন বলে বিশ্বাস রাখে।

এছাড়া সেজদায়ে তাহিয়্যা বা সম্মানসূচক সেজদার নামে কাউকে নামাজের সেজদার মত সেজদা করাকে বৈধ বা জায়েজ মনে করা। এসবই হলো শিরক যুক্ত ঈমান। এমন শিরক যুক্ত ঈমানদার ব্যক্তির ইবাদত ও দোয়া কবুল হয় না।

২. পিতামাতার অবাধ্যতা: কেউ যদি পিতামাতার অবাধ্য হয় কিংবা সংগত কারণে পিতামাতা সন্তানের প্রতি নারাজ থাকেন, তখন এমতাবস্থায় সন্তানের নামাজসহ অন্যান্য ইবাদত মাসয়ালা অনুযায়ী সহিহ হলেও পিতামাতার অবাধ্যতার কারণে আশংকা আছে যে, এমন অবাধ্য সন্তানের ইবাদত ও দোয়া কবুল হবে না- যতক্ষণ না সে নিয়মানুযায়ী তওবা করে।

৩. হারাম মাল ভক্ষণ: হারাম পন্থায় উপার্জিত সম্পদ ভোগ করে ইবাদত ও দোয়া করলে তা কবুল হবে না। আল্লাহ তায়ালার কাছে বান্দার তওবা-এস্তেগফার ও চোখের পানি বড়ই মূল্যবান; কিন্তু হারাম উপায়ে উপার্জিত মাল ভক্ষণকারী ও লেবাস-পোশাক ব্যবহারকারী ব্যক্তি আল্লাহর দরবারে মোনাজাতের মাধ্যমে হাত উত্তোলন করে রাখতে রাখতে যদি তা অবশও হয়ে যায় এবং বিরামহীনভাবে ক্রন্দন করতে করতে যদি তার চোখের অশ্রু নিঃশেষ হয়ে যায়, তবুও তা আল্লাহ তায়ালার কাছে মূল্যহীন।

সুতরাং নিজের কষ্টে করা ইবাদত ও একান্ত করা দোয়া যেন আল্লাহর দরবারে কবুল হয়, এজন্য হারাম উপার্জন থেকে বেঁচে থাকা পূর্বশর্ত।

 

 

 

যুগান্তর থেকে সংগৃহিত