ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা

ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

প্রতিনিধির নাম :

আমদানি কমার অজুহাতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর মধ্যে সবশেষ সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ৫-৬ টাকা। যার প্রভাব পড়েছে দেশি পেঁয়াজেও। আড়ৎ মালিকরা বলছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমেছে, তাই দাম বেড়েছে। আর এই সুযোগে দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। গতকাল শনিবার সকালে দেশের বৃহৎ পেঁয়াজের আড়ত রাজধানীর শ্যামবাজারে সরজমিনে দেখা গেছে, দেশি সবচেয়ে ভালোমানের ‘কিং’ পেঁয়াজ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। চিকন ও হাইব্রিড পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৩ টাকায়। অথচ এক সপ্তাহ আগেও ‘কিং’ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩১-৩২ টাকায়। আর হাইব্রিড পেঁয়াজের দর ছিলো ২৯-৩০ টাকা। ভারতীয় সবচেয়ে ভালোমানের পেঁয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৭-২৮ টাকায়। একটু নিন্মমানের চিকন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩-২৫ টাকায়। অথচ ঈদের পরের সপ্তাহে একই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫-১৭ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২১-২২ টাকায়। জানতে চাইলে বাজারের লক্ষ্মীভান্ডারের স্বত্বাধিকারী প্রাণকৃষ্ণ সাহা বলেন, সবচেয়ে ভালো দেশি ‘কিং’ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। একটু নিন্মমানের দেশি হাইব্রিড পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৩ টাকায়। পেঁয়াজ ও ক্রেতা বুঝে দাম একটু এদিক-সেদিক করা হয় বলেও জানান তিনি। এই আড়ত থেকে ৬ বস্তা ভারতীয় পেঁয়াজ কেনেন রাজধানীর খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগের খুচরা বিক্রেতা আসলাম। তিনি বলেন, ২৭ টাকা কেজিতে ৬ বস্তা এলসি (ভারতীয়) পেঁয়াজ কিনেছি। আর ৩৪ টাকায় দেশি ৫ বস্তা কিং পেঁয়াজ কিনেছি। দেশিটা কেজি ৪৫ টাকা আর এলসিটা ৪০ টাকায় বিক্রি করবো। মেসার্স তাঁরা বাণিজ্যালয়ের মালিক আমজাদ হোসেন বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। তাই আমাদের দেশের পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। তিনি বলেন, ঈদের আগে ভারতীয় চিকন পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ১২-১৩ টাকায়, এখন সেই পেঁয়াজ বিক্রি করছি ২৫-২৬ টাকায়। আর ভালোমানের ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছি ২৮-২৯ টাকা কেজি। দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে শ্যামবাজার পেঁয়াজ রসুন সমিতির প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, রজমানের প্রথম দিকে পেঁয়াজের দাম এক দফা বেড়েছিলো। তবে তারপর থেকে ঈদ পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম কম ছিলো। কিন্তু ঈদের পর ভারতীয় ট্রাক মালিকদের ধর্মঘটের কারণে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি কম হয়েছে। ফলে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। গত দুইদিন হয়েছে ট্রাক মালিকরা তাদের ধর্মঘট তুলে নিয়েছেন, আশা করছি পেঁয়াজের দাম কমবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

আপডেট এর সময় : ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮

আমদানি কমার অজুহাতে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর মধ্যে সবশেষ সপ্তাহে কেজিতে বেড়েছে ৫-৬ টাকা। যার প্রভাব পড়েছে দেশি পেঁয়াজেও। আড়ৎ মালিকরা বলছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমেছে, তাই দাম বেড়েছে। আর এই সুযোগে দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। গতকাল শনিবার সকালে দেশের বৃহৎ পেঁয়াজের আড়ত রাজধানীর শ্যামবাজারে সরজমিনে দেখা গেছে, দেশি সবচেয়ে ভালোমানের ‘কিং’ পেঁয়াজ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। চিকন ও হাইব্রিড পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৩ টাকায়। অথচ এক সপ্তাহ আগেও ‘কিং’ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩১-৩২ টাকায়। আর হাইব্রিড পেঁয়াজের দর ছিলো ২৯-৩০ টাকা। ভারতীয় সবচেয়ে ভালোমানের পেঁয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৭-২৮ টাকায়। একটু নিন্মমানের চিকন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩-২৫ টাকায়। অথচ ঈদের পরের সপ্তাহে একই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫-১৭ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২১-২২ টাকায়। জানতে চাইলে বাজারের লক্ষ্মীভান্ডারের স্বত্বাধিকারী প্রাণকৃষ্ণ সাহা বলেন, সবচেয়ে ভালো দেশি ‘কিং’ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। একটু নিন্মমানের দেশি হাইব্রিড পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৩ টাকায়। পেঁয়াজ ও ক্রেতা বুঝে দাম একটু এদিক-সেদিক করা হয় বলেও জানান তিনি। এই আড়ত থেকে ৬ বস্তা ভারতীয় পেঁয়াজ কেনেন রাজধানীর খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগের খুচরা বিক্রেতা আসলাম। তিনি বলেন, ২৭ টাকা কেজিতে ৬ বস্তা এলসি (ভারতীয়) পেঁয়াজ কিনেছি। আর ৩৪ টাকায় দেশি ৫ বস্তা কিং পেঁয়াজ কিনেছি। দেশিটা কেজি ৪৫ টাকা আর এলসিটা ৪০ টাকায় বিক্রি করবো। মেসার্স তাঁরা বাণিজ্যালয়ের মালিক আমজাদ হোসেন বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। তাই আমাদের দেশের পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। তিনি বলেন, ঈদের আগে ভারতীয় চিকন পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ১২-১৩ টাকায়, এখন সেই পেঁয়াজ বিক্রি করছি ২৫-২৬ টাকায়। আর ভালোমানের ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি করছি ২৮-২৯ টাকা কেজি। দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে শ্যামবাজার পেঁয়াজ রসুন সমিতির প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, রজমানের প্রথম দিকে পেঁয়াজের দাম এক দফা বেড়েছিলো। তবে তারপর থেকে ঈদ পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম কম ছিলো। কিন্তু ঈদের পর ভারতীয় ট্রাক মালিকদের ধর্মঘটের কারণে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি কম হয়েছে। ফলে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। গত দুইদিন হয়েছে ট্রাক মালিকরা তাদের ধর্মঘট তুলে নিয়েছেন, আশা করছি পেঁয়াজের দাম কমবে।