ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo বরগুনায় জেলা ফল মেলার উদ্বোধন Logo বাগদাদের গ্রিন জোনে ইরাকি বাহিনীর অভিযান Logo আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের Logo চীনের সঙ্গে সমঝোতায় বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ায় গুণগত পরিবর্তন আসবে : তথ্যমন্ত্রী Logo স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভারতে উৎপাদিত মাদকে মৃত্যুর ঝুঁকি !

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতীয় একটি ওষুধ কোম্পানি লাইসেন্স ছাড়াই অত্যন্ত আসক্তিকর ওপিওয়েড তৈরি করছে। সেই সাথে ওপিওয়েড মাদক অবৈধভাবে রফতানি করছে পশ্চিম আফ্রিকায়। এমন অবস্থায় ঘানা, নাইজেরিয়া এবং কোট ডি’আইভোয়ারসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাইভিত্তিক অ্যাভিও ফার্মাসিউটিক্যালস বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে নানান ধরণের মাদক তৈরি করে আসছে এবং বৈধ ওষুধের মতো দেখানো প্যাকেজে বাজারজাত করা হচ্ছে। কিন্তু ঔষধগুলোতে ট্যাপেনটাডল, শক্তিশালী ওপিওয়েড, এবং ক্যারিসোপ্রোডল নামক ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে। এগুলো মূলত পেশী শিথিলকারী; যা ভীষণ আসক্তিকর। তাই এটি ইউরোপে নিষিদ্ধ।

ওষুধের এই সংমিশ্রণটি বিশ্বের কোথাও ব্যবহারের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এবং শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে মৃত্যুও হতে পারে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, এই ওপিওয়েডগুলো পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশে রাস্তার ওষুধ হিসাবে জনপ্রিয়। কারণ এগুলো সস্তা এবং ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়। ঘানা, নাইজেরিয়ান এবং আইভোয়ারিয়ান শহরের রাস্তায় বিক্রির জন্য অ্যাভিও লোগোযুক্ত ব্র্যান্ডের ওষুধের প্যাকেট খুঁজে পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত করেছে বিবিসি’র আই ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। তারা দেখতে পেয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে পাওয়া ওই ওপিওয়েড মাদকগুলোর উৎপাদন হচ্ছে ভারতে। যা তৈরি হচ্ছে মুম্বাই-ভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি অ্যাভিওর কারখানায়। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই অনুসন্ধান চালিয়েছে বিবিসির ওই বিশেষ ইউনিট।

তারা অ্যাভিওর অন্যতম পরিচালক বিনোদ শর্মার ভিডিও ধারণ করেছে। যেখানে বিনোদ স্বীকার করেছেন যে, ভয়াবহ ওই মাদক ওষুধের নামে বাজারজাত করছে তার কোম্পানি। এর ভয়াবহতা জানা সত্ত্বেও তিনি এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেছেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
৬ বার পঠিত হয়েছে

ভারতে উৎপাদিত মাদকে মৃত্যুর ঝুঁকি !

আপডেট এর সময় : ১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতীয় একটি ওষুধ কোম্পানি লাইসেন্স ছাড়াই অত্যন্ত আসক্তিকর ওপিওয়েড তৈরি করছে। সেই সাথে ওপিওয়েড মাদক অবৈধভাবে রফতানি করছে পশ্চিম আফ্রিকায়। এমন অবস্থায় ঘানা, নাইজেরিয়া এবং কোট ডি’আইভোয়ারসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুম্বাইভিত্তিক অ্যাভিও ফার্মাসিউটিক্যালস বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে নানান ধরণের মাদক তৈরি করে আসছে এবং বৈধ ওষুধের মতো দেখানো প্যাকেজে বাজারজাত করা হচ্ছে। কিন্তু ঔষধগুলোতে ট্যাপেনটাডল, শক্তিশালী ওপিওয়েড, এবং ক্যারিসোপ্রোডল নামক ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে। এগুলো মূলত পেশী শিথিলকারী; যা ভীষণ আসক্তিকর। তাই এটি ইউরোপে নিষিদ্ধ।

ওষুধের এই সংমিশ্রণটি বিশ্বের কোথাও ব্যবহারের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত নয় এবং শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ করলে মৃত্যুও হতে পারে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, এই ওপিওয়েডগুলো পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশে রাস্তার ওষুধ হিসাবে জনপ্রিয়। কারণ এগুলো সস্তা এবং ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়। ঘানা, নাইজেরিয়ান এবং আইভোয়ারিয়ান শহরের রাস্তায় বিক্রির জন্য অ্যাভিও লোগোযুক্ত ব্র্যান্ডের ওষুধের প্যাকেট খুঁজে পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত করেছে বিবিসি’র আই ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। তারা দেখতে পেয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে পাওয়া ওই ওপিওয়েড মাদকগুলোর উৎপাদন হচ্ছে ভারতে। যা তৈরি হচ্ছে মুম্বাই-ভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি অ্যাভিওর কারখানায়। অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে এই অনুসন্ধান চালিয়েছে বিবিসির ওই বিশেষ ইউনিট।

তারা অ্যাভিওর অন্যতম পরিচালক বিনোদ শর্মার ভিডিও ধারণ করেছে। যেখানে বিনোদ স্বীকার করেছেন যে, ভয়াবহ ওই মাদক ওষুধের নামে বাজারজাত করছে তার কোম্পানি। এর ভয়াবহতা জানা সত্ত্বেও তিনি এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেছেন।