1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ, সেনাদের প্রতি সমর্থন মুসলিম মোগল স্থাপত্যের নির্দশন হিন্দা কসবা মসজিদ ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মারা যাচ্ছে চুনোপুটিরা, ধরা ছোঁয়ার বাইরে গডফাদাররা

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮

যশোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যারা মারা যাচ্ছেন তারা কেউ জেলা শীর্ষ মাদক চোরাকারবারি নন। জেলা পুলিশ ঘোষিত র্শীর্ষ ১৪ চোরাকারবারি ইতোমধ্যে গাঁঢাকা দিয়েছেন। তাদের  ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হলেও  খোঁজ পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা। গত এক বছর ধরে পলাতক রয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক ও প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় অধিকাংশ শীর্ষ মাদক  চোরাকারবারি বহাল তবিয়াতে রয়েছেন। গত তিন রাতে যশোরের সাত মাদক চোরাকারবারি  কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। তবে যাদেরকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল পুলিশ তাদের কেউ নন। পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে বরাবরই শীর্ষ মাদক চোরাকারবারিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। যশোর জেলার মাদকের ডিলার হিসেবে পরিচিত এসব শীর্ষ মাদক চোরাকারবারি পলাতক রয়েছেন। স্থানীয়দের এ অভিযোগ স্বীকার করে জেলা পুলিশ জানিয়েছে তাদের সন্ধানে আইনশৃংখলা বাহিনী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত বছরের ২৪ মে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে যশোরের শীর্ষ ১৪ মাদক চোরাকাবারিদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান। ১০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। জেলা পুলিশ ঘোষিত শীর্ষ ১৪ মাদক চোরাকারবারিরা হলেন, শহরের চাঁচড় রায়পাড়া এলাকার মৃত ওলিয়ার রহমানের মেয়ে বেবি খাতুন, একই এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রুমা বেগম, শংকরপুর এলাকার মৃত পিয়ারু কাজীর ছেলে তারেক কাজী, চৌগাছার বড় কাবিলপুর গ্রামের সোনাই মন্ডলের ছেলে শফি মেম্বার, অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের আবদুল গণির ছেলে কামরুল ও বুইকারা গ্রামের মৃত হাশেম আলীর মেয়ে লিপি বেগম, বেনাপোল পোর্ট থানার ভবের বেড় গ্রামের কলুপাড়া এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম, বারোপোতা গ্রামের মোনতাজ আলীর ছেলে রিয়াজুল ইসলাম। চৌগাছার ফুলসারা গ্রামের মৃত আবদুল হকের ছেলে আশরাফুল আলম, শার্শার কোটা পশ্চিমপাড়ার শের আলী দফাদারের ছেলে আনোয়ার হোসেন আনা, চৌগাছার বড়কাবিলপুর গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিন মন্ডলের ছেলে ইসরাইল হোসেন নুনু, শার্শার কাশিপুর-গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত জয়নালের ছেলে আশাদুল ইসলাম আশা, বেনাপোল পোর্টথানার নারায়ণপুর গ্রামের মৃত কেরামত মল্লিকের ছেলে বাদশা মল্লিক ও রঘুনাথপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে জাহাঙ্গীর। গত এক বছরেও  ধরে পুলিশ ঘোষিত এসব মাদক চোরাকারবারিরা তৎপর থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের নাগালে পায়নি। সর্বশেষ গত তিনদিনে যশোর সদর ও অভয়নগরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাতজন মাদক চোরাকারবারি নিহত হন। যাদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়নি।

নিহতরা হচ্ছেন, ২১ মে ভোরে যশোরে চৌগাছা উপজেলার বড় আন্দুলিয়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৮), শার্শা উপজেলার মহিষাখোলা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে মুক্তাজুর রহমান (৩২) ও শার্শার টেংরা উত্তরপাড়া জামতলা এলাকার আবদুর রহমান গাজীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম গাজী (৪৮), এর আগের দিন ২০ মে ভোরে যশোরে শহরের শংকরপুর এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে ডালিম হোসেন ও ১৯ মে ভোরে অভয়নগরে  র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অভয়নগর উপজেলার চার নম্বর মডেল ওয়ার্ড এলাকার আব্দুল বারেক শেখের ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি শেখ (৩৭), নাদের আলী মোড়লের ছেলে আবুল কালাম (৪৬) ও সাত্তার কাশারির ছেলে মিলন কাশারি (৩৮) নিহত হন।

নিহতদের প্রত্যেকেই এলাকায় মাদক বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত। এদিকে নিহতের পরিবারের সদস্যদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তাদের তুলে নিয়ে ক্রসফায়ার দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, পুরস্কার ঘোষিত শীর্ষ মাদক চোরাকারবারিরা পলাতক রয়েছেন। মাদক বিরোধী অভিযানে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর আছে পুলিশ।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন শিকদার বলেন, পুরস্কার ঘোষিত বেশ কয়েকজন মাদক চোরাকারবারিকে ধরা হয়েছিল। তবে এই মুহূর্তে তাদের নাম বলতে পারছি না।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews