1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admink
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যার মধ্যে ২০ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস সিরিজ জয়ের ম্যাচে যেমন হতে পারে বাংলাদেশ একাদশ ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প ৯ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে বায়ার্নকে হারাল পিএসজি বজ্রপাতে বাবার মৃত্যু, কোল থেকে ছিটকে বাঁচল মেয়ে

যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ড চান ট্রাম্প

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:  শুরুর দিকে গ্রিনল্যান্ড কিনতে চাচ্ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন দ্বীপ অঞ্চলটি দখলের হুঁমকি দিয়েছেন। সহজ হোক বা কঠিন কোনো উপায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চান গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা আমেরিকার হোক। খবর বিবিসি’র

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, কিছু দেশের মালিকানা থাকতে হয় এবং মালিকানাই রক্ষা করা যায়—লিজ নয়। গ্রিনল্যান্ড আমাদের রক্ষা করতেই হবে।ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ খুব প্রয়োজন।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি ‘সহজ উপায়ে’ অথবা ‘কঠিন উপায়ে’ বাস্তবায়ন করতে পারে।

হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জানিয়েছে, ন্যাটোভুক্ত দেশ ডেনমার্কের অধীন আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বিষয়টি প্রশাসন বিবেচনা করছে। এমনকি প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করা হয়নি।

তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—দুই পক্ষই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। ডেনমার্ক সতর্ক করে বলেছে, সামরিক পদক্ষেপ নিলে তা ট্রান্স-আটলান্টিক প্রতিরক্ষা জোটের অবসান ডেকে আনতে পারে।

তবে শুক্রবার রাতে গ্রিনল্যান্ডের সব প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেন। তারা বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, ডেনিশও হতে চাই না—আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণই নির্ধারণ করবে।’

বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা এবং আর্কটিক অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নজরদারিতে এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

ট্রাম্প দাবি করেন, গ্রিনল্যান্ডে রাশিয়া ও চীনের উপস্থিতি বাড়ছে, যদিও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। বর্তমানে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত পিটুফিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে এই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র পরিচালনা করছে।

ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সেখানে আরও সেনা মোতায়েন করতে পারে। তবে ট্রাম্প চান মালিকানা, ‘নয় বছর বা এমনকি ১০০ বছরের চুক্তিও যথেষ্ট নয়—মালিকানা থাকতে হবে।’ন্যাটোকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘চীন ও রাশিয়ার জনগণকে আমি ভালোবাসি, কিন্তু গ্রিনল্যান্ডে আমি তাদের প্রতিবেশী হিসেবে চাই না। ন্যাটোর বিষয়টি বুঝতে হবে।’

ডেনমার্কের ন্যাটো মিত্ররা—ইউরোপের প্রধান দেশগুলো ও কানাডাসহ—ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডেরই। তারা জোর দিয়ে বলেন, আর্কটিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে তা মিত্রদের সম্মিলিত উদ্যোগেই করতে হবে এবং জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সীমান্তের অমোঘতা নীতিকে অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews