ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাট মেডিকেল ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু Logo জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের দুয়ার খুলেছে, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ফিলিপাইনের দক্ষিণ উপকূলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প Logo আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার : তথ্য উপদেষ্টা Logo জনপ্রত্যাশা পূরণে সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দু্ই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি এসএসসি পরীক্ষার্থী অনিকের, পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা Logo জিসান গ্রুপের অন্যতম ০৩ জন সক্রিয় সদস্যকে ০৩টি বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৩

সংবিধানের আরেক সংশোধনী আসছে বিকালে

প্রতিনিধির নাম :

সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হতে যাচ্ছে আজ। রবিবার বিকাল তিনটায় এই অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। নারীদের জন্য সংসদে আসন আরও ২৫ বছর সংরক্ষিত রাখতে এই সংশোধনী আনা হচ্ছে।

গত শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপিতে সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ তার দলের সব সংসদ সদস্যকে যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮ পাস করার প্রস্তাব উত্থাপন করবেন।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভাতেও প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা দলীয় সংসদ সদস্যদের রবিবারের অধিবেশনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বৈঠকে সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধনীর ভোটিং প্রক্রিয়া সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বাড়িয়ে গত ১০ এপ্রিল সংসদে ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করা হয়। গত ৬ জুন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিলটি পাসের সুপারিশ করে রিপোর্ট উত্থাপন করেন।

২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ করা হলেও ওই সময় মেয়াদ বাড়ানো হয়নি।

বর্তমানে ৩৫০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের ৩০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। বাকি ৫০ জন সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো তাদের আসনসংখ্যার অনুপাতে নারী সংসদ সদস্য মনোনীত করে থাকে।

২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী সদস্যের ৪৫টি আসন সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। তখন এর মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় পরবর্তী সংসদের অর্থাৎ, নবম সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ১০ বছর।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই হিসেবে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মেয়াদ আছে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান নারী আসনের মেয়াদ শেষ হবে। ফলে সপ্তদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে পরবর্তী সংসদ থেকে তার মেয়াদ ২৫ বছর হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮
১৫ বার পঠিত হয়েছে

সংবিধানের আরেক সংশোধনী আসছে বিকালে

আপডেট এর সময় : ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুলাই ২০১৮

সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল সংসদে পাস হতে যাচ্ছে আজ। রবিবার বিকাল তিনটায় এই অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। নারীদের জন্য সংসদে আসন আরও ২৫ বছর সংরক্ষিত রাখতে এই সংশোধনী আনা হচ্ছে।

গত শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপিতে সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ তার দলের সব সংসদ সদস্যকে যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮ পাস করার প্রস্তাব উত্থাপন করবেন।

গত বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভাতেও প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা দলীয় সংসদ সদস্যদের রবিবারের অধিবেশনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বৈঠকে সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধনীর ভোটিং প্রক্রিয়া সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিধি আরও ২৫ বছর বাড়িয়ে গত ১০ এপ্রিল সংসদে ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ সংসদে উত্থাপন করা হয়। গত ৬ জুন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে বিলটি পাসের সুপারিশ করে রিপোর্ট উত্থাপন করেন।

২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ করা হলেও ওই সময় মেয়াদ বাড়ানো হয়নি।

বর্তমানে ৩৫০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের ৩০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত। বাকি ৫০ জন সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো তাদের আসনসংখ্যার অনুপাতে নারী সংসদ সদস্য মনোনীত করে থাকে।

২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী সদস্যের ৪৫টি আসন সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। তখন এর মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় পরবর্তী সংসদের অর্থাৎ, নবম সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে ১০ বছর।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই হিসেবে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মেয়াদ আছে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান নারী আসনের মেয়াদ শেষ হবে। ফলে সপ্তদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস হলে পরবর্তী সংসদ থেকে তার মেয়াদ ২৫ বছর হবে।