ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স Logo স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব Logo সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ

হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত নয় তো?

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    হঠাৎ হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এটি কি শুধুই মানসিক চাপের কারণে হওয়া প্যানিক অ্যাটাক, নাকি হৃদযন্ত্রের ছন্দের সমস্যা—যেমন অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন (এএফ)? দুটো অবস্থার উপসর্গ অনেকটা মিল থাকলেও, গুরুত্ব ও চিকিৎসা একেবারে আলাদা।

অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন কী?

হৃদয়ের অনিয়মিত বৈদ্যুতিক সংকেতের কারণে পালস অনিয়মিত ও দ্রুত হয়ে যায়। এটি সাধারণত বয়স্ক, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী, কিংবা যাদের আগে স্ট্রোক হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

প্রধান লক্ষণ:

> দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

> মাথা ঘোরা বা বমিভাব

> অস্বাভাবিক ক্লান্তি

> শ্বাসকষ্ট

চিকিৎসা না নিলে এটি স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলিওরের কারণ হতে পারে।

প্যানিক অ্যাটাক কীভাবে হয়?

এটি হঠাৎ তীব্র ভয় বা আতঙ্কের প্রতিক্রিয়া, যা সাধারণত কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়। মানসিক চাপ, পরীক্ষার ভয়, আবেগীয় সমস্যা বা কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াও এটি হতে পারে।

প্রধান উপসর্গ:

> দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

> মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা

> অতিরিক্ত ঘাম, কাঁপুনি

> বুকে চাপ বা দম বন্ধ লাগা

> নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়

> এটি শরীরের ‘ফাইট-অর-ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ার অতিরিক্ত সক্রিয়তার ফল।

পার্থক্য বোঝা কেন জরুরি

ডা. কেশবের মতে, হৃদস্পন্দন বারবার বেড়ে গেলেই তা মানসিক উদ্বেগের ফল, এমন ধারণা ভুল। অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই দ্রুত চিকিৎসা জরুরি। আবার প্যানিক অ্যাটাক প্রাণঘাতী না হলেও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন।

যেহেতু দুই অবস্থার উপসর্গ প্রায় একই, তাই শুধু অনুভূতির ভিত্তিতে পার্থক্য করা কঠিন। ফলে হঠাৎ বা বারবার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে অবহেলা না করে ইসিজি, ইকোসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে সঠিক কারণ নির্ধারণের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
২ বার পঠিত হয়েছে

হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত নয় তো?

আপডেট এর সময় : ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    হঠাৎ হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এটি কি শুধুই মানসিক চাপের কারণে হওয়া প্যানিক অ্যাটাক, নাকি হৃদযন্ত্রের ছন্দের সমস্যা—যেমন অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন (এএফ)? দুটো অবস্থার উপসর্গ অনেকটা মিল থাকলেও, গুরুত্ব ও চিকিৎসা একেবারে আলাদা।

অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন কী?

হৃদয়ের অনিয়মিত বৈদ্যুতিক সংকেতের কারণে পালস অনিয়মিত ও দ্রুত হয়ে যায়। এটি সাধারণত বয়স্ক, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রোগী, কিংবা যাদের আগে স্ট্রোক হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

প্রধান লক্ষণ:

> দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

> মাথা ঘোরা বা বমিভাব

> অস্বাভাবিক ক্লান্তি

> শ্বাসকষ্ট

চিকিৎসা না নিলে এটি স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলিওরের কারণ হতে পারে।

প্যানিক অ্যাটাক কীভাবে হয়?

এটি হঠাৎ তীব্র ভয় বা আতঙ্কের প্রতিক্রিয়া, যা সাধারণত কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়। মানসিক চাপ, পরীক্ষার ভয়, আবেগীয় সমস্যা বা কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াও এটি হতে পারে।

প্রধান উপসর্গ:

> দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

> মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা

> অতিরিক্ত ঘাম, কাঁপুনি

> বুকে চাপ বা দম বন্ধ লাগা

> নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়

> এটি শরীরের ‘ফাইট-অর-ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ার অতিরিক্ত সক্রিয়তার ফল।

পার্থক্য বোঝা কেন জরুরি

ডা. কেশবের মতে, হৃদস্পন্দন বারবার বেড়ে গেলেই তা মানসিক উদ্বেগের ফল, এমন ধারণা ভুল। অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই দ্রুত চিকিৎসা জরুরি। আবার প্যানিক অ্যাটাক প্রাণঘাতী না হলেও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন।

যেহেতু দুই অবস্থার উপসর্গ প্রায় একই, তাই শুধু অনুভূতির ভিত্তিতে পার্থক্য করা কঠিন। ফলে হঠাৎ বা বারবার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে অবহেলা না করে ইসিজি, ইকোসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে সঠিক কারণ নির্ধারণের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো সম্ভব।