ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ Logo চলতি ২০২৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না ওপেনএআই Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী Logo সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে কৃষক কার্ডে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১,১০,৩৬৪ কৃষক : কৃষিমন্ত্রী Logo আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী Logo হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ

অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার

প্রতিনিধির নাম :

গেল অক্টোবর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশের ইতিহাসে এটি এককমাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত অর্থবছরের মে মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২ অক্টোবর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে তাত্ক্ষণিক দুই শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা কার্যকর হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই মাসে যা ছিল ১২৩ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩২ দশমিক ৩২ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের চার মাসেই আগের অর্থবছরের একই মাসগুলোর তুলনায় রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেশি এসেছে। জুলাইয়ে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স আসে ৫১০ কোটি ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। সাধারণত ঈদের পর প্রবাসীরা কম রেমিট্যান্স পাঠান। কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও রেমিট্যান্স বেড়েছে। প্রণোদনা দেওয়ার কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। সেসব দেশে অবস্থানকারী আমাদের প্রবাসীরা এখন বেশি মজুরি পাচ্ছেন; বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। প্রণোদনা দেওয়ার জন্য বাজেটে এজন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০১৯
১১ বার পঠিত হয়েছে

অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার

আপডেট এর সময় : ১২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০১৯

গেল অক্টোবর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশের ইতিহাসে এটি এককমাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে গত অর্থবছরের মে মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২ অক্টোবর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে তাত্ক্ষণিক দুই শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা কার্যকর হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই মাসে যা ছিল ১২৩ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩২ দশমিক ৩২ শতাংশ।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের চার মাসেই আগের অর্থবছরের একই মাসগুলোর তুলনায় রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেশি এসেছে। জুলাইয়ে ১৫৯ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, আগস্টে ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রেমিট্যান্স এসেছে ৬১৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স আসে ৫১০ কোটি ডলার। এই হিসেবে রেমিট্যান্স-প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। সাধারণত ঈদের পর প্রবাসীরা কম রেমিট্যান্স পাঠান। কিন্তু এবার দুই ঈদের পরও রেমিট্যান্স বেড়েছে। প্রণোদনা দেওয়ার কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। সেসব দেশে অবস্থানকারী আমাদের প্রবাসীরা এখন বেশি মজুরি পাচ্ছেন; বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। প্রণোদনা দেওয়ার জন্য বাজেটে এজন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।