ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে উৎসাহ দেবে পাকিস্তান Logo কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর শেষে দেশে ফিরেছেন স্পিকার Logo সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন Logo নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সমর্থন চেয়েছেন উপদেষ্টা তিতুমীর Logo বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী Logo ভীষণ হতাশ : বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের পর আক্ষেপ এমবাপ্পের Logo স্বাস্থ্যখাতের সংকটে অকালেই প্রাণ হারাচ্ছে কিউবার মানুষ Logo ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মুখোমুখি মেসি Logo দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল মাদক উদ্ধার

রক্তে চর্বির আধিক্য এবং স্ট্রোক

প্রতিনিধির নাম :

আমাদের দেশের মানুষ তেমন স্বাস্থ্য সচেতন নয়। সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে দেখা দিচ্ছে নানা রোগ। এদের মধ্যে কিছু কিছু রোগ আমাদের সবার জন্য খুব বিপজ্জনক। এসব রোগে প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে। স্ট্রোক তাদের মধ্য অন্যতম। আমাদের দেহের রক্তে অনেক সময় চর্বি বেড়ে যায়। রক্তে চর্বি বেড়ে গেলে তা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন কারণেই এরকম হতে পারে। তবে প্রধান কারণগুলোর মধ্যে আছে অতিরিক্ত চর্বি গ্রহণ এবং ব্যায়াম না করা। কারণ যাই হোক রক্তে চর্বি বেশি থাকলে ধমনির গায়ে চর্বি জমা হতে থাকে। এর ফলে ধমনি সরু হতে থাকে। ধমনি সরু হলে রক্তের সঞ্চালন সীমিত হতে থাকে। কখনো কখনো রক্ত সঞ্চালন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই বন্ধ হওয়া যদি হার্টের করোনারি ধমনিতে হয় তখন দেখা দেয় হার্ট এটাক। হার্ট এটাক খুব বিপজ্জনক। এর ফলে বিভিন্ন জটিলতাসহ তাত্ক্ষণিক মৃত্যুও হতে পারে। আর যদি মস্তিষ্কের মধ্যে এই ঘটনা হয় তবে সেটা হয় স্ট্রোক।

যেহেতু চর্বির আধিক্যের কারণেই বিভিন্ন জটিলতা ঘটে তাই চর্বির ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। চর্বি গ্রহণ কমাতে হবে। ফলমূল এবং শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। তেলে ভাজা খাবার কম খেতে হবে। বছরে অন্তত একবার রক্তের চর্বি পরিমাপ করতে হবে। এর জন্য লিপিড প্রোফাইল টেস্ট বলে একটি পরীক্ষা আছে। এই পরীক্ষা করাতে হবে। রক্তের বিভিন্ন ধরনের চর্বি থাকে। এর মধ্যে আছে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল ও এইচডিএল। রক্তে এসবের নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। প্রতি বছর পরীক্ষা করে দেখতে হবে এই মাত্রা স্বাভাবিক আছে কি না। এগুলোর আদর্শ মাত্রা হচ্ছে কোলেস্টেরল ২০০ মিলি গ্রামের কম, ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০ মিলি গ্রামের কম, এলডিএল ১০০ মিলি গ্রামের কম এবং এইচডিএল ৪০ মিলিগ্রামের বেশি। এই মাত্রার বেশি হলেই হূদেরাগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসার ফ্যাটি লিভারসহ নানারকম রোগ দেখা দেয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
২১ বার পঠিত হয়েছে

রক্তে চর্বির আধিক্য এবং স্ট্রোক

আপডেট এর সময় : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

আমাদের দেশের মানুষ তেমন স্বাস্থ্য সচেতন নয়। সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে দেখা দিচ্ছে নানা রোগ। এদের মধ্যে কিছু কিছু রোগ আমাদের সবার জন্য খুব বিপজ্জনক। এসব রোগে প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে। স্ট্রোক তাদের মধ্য অন্যতম। আমাদের দেহের রক্তে অনেক সময় চর্বি বেড়ে যায়। রক্তে চর্বি বেড়ে গেলে তা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন কারণেই এরকম হতে পারে। তবে প্রধান কারণগুলোর মধ্যে আছে অতিরিক্ত চর্বি গ্রহণ এবং ব্যায়াম না করা। কারণ যাই হোক রক্তে চর্বি বেশি থাকলে ধমনির গায়ে চর্বি জমা হতে থাকে। এর ফলে ধমনি সরু হতে থাকে। ধমনি সরু হলে রক্তের সঞ্চালন সীমিত হতে থাকে। কখনো কখনো রক্ত সঞ্চালন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই বন্ধ হওয়া যদি হার্টের করোনারি ধমনিতে হয় তখন দেখা দেয় হার্ট এটাক। হার্ট এটাক খুব বিপজ্জনক। এর ফলে বিভিন্ন জটিলতাসহ তাত্ক্ষণিক মৃত্যুও হতে পারে। আর যদি মস্তিষ্কের মধ্যে এই ঘটনা হয় তবে সেটা হয় স্ট্রোক।

যেহেতু চর্বির আধিক্যের কারণেই বিভিন্ন জটিলতা ঘটে তাই চর্বির ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। চর্বি গ্রহণ কমাতে হবে। ফলমূল এবং শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। তেলে ভাজা খাবার কম খেতে হবে। বছরে অন্তত একবার রক্তের চর্বি পরিমাপ করতে হবে। এর জন্য লিপিড প্রোফাইল টেস্ট বলে একটি পরীক্ষা আছে। এই পরীক্ষা করাতে হবে। রক্তের বিভিন্ন ধরনের চর্বি থাকে। এর মধ্যে আছে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল ও এইচডিএল। রক্তে এসবের নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। প্রতি বছর পরীক্ষা করে দেখতে হবে এই মাত্রা স্বাভাবিক আছে কি না। এগুলোর আদর্শ মাত্রা হচ্ছে কোলেস্টেরল ২০০ মিলি গ্রামের কম, ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০ মিলি গ্রামের কম, এলডিএল ১০০ মিলি গ্রামের কম এবং এইচডিএল ৪০ মিলিগ্রামের বেশি। এই মাত্রার বেশি হলেই হূদেরাগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসার ফ্যাটি লিভারসহ নানারকম রোগ দেখা দেয়।