ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ Logo গিনিতে ভয়াবহ ময়লার ভাগাড় ধসের পর ক্ষোভ ও হতাশা Logo ময়মনসিংহে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা Logo স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: মিল্লাত Logo ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান সরকারের প্রতি সাবেক ক্রিকেট অধিনায়কদের আহ্বান

মস্তিষ্কের জটিলতায় হাঁটার গুরুত্ব

অনলাইন ডেস্ক

ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে অনেক মাঝবয়সী মানুষ মানসিক ‘ফগ’ বা ঝাপসা ভাব অনুভব করেন। এতে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং সহজেই স্ট্রেসে ভেঙে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তবে এর একটি সহজ সমাধান হতে পারে নিয়মিত হাঁটা।

হার্ভার্ড, কলাম্বিয়া ও কর্নেল-প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ডা. অ্যামি শাহ জানিয়েছেন, জিমে কঠোর ব্যায়াম না করেও শুধু সপ্তাহে তিন দিন ৪০ মিনিট করে হাঁটলেই মস্তিষ্কে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে হিপোক্যাম্পাস নামের অংশটি বড় হতে শুরু করে, যা স্মৃতি ও শেখার ক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বয়স বাড়ার সঙ্গে এই অংশ স্বাভাবিকভাবেই ছোট হতে থাকে, ফলে ভুলে যাওয়া ও মনোযোগের সমস্যা বাড়ে। কিন্তু নিয়মিত হাঁটার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া ধীর করা বা উন্নত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, হাঁটা শরীরের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে মাঝবয়সে হরমোন পরিবর্তনের কারণে স্ট্রেস সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ছোট বিষয়ও বেশি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত হাঁটা এই চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

খোলা বাতাসে, বিশেষ করে গাছপালার মাঝে হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আরও উপকারী, কারণ এটি স্ট্রেস কমায় এবং মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

সবশেষে বলা যায়, বড় পরিবর্তনের জন্য সবসময় বড় পদক্ষেপ দরকার হয় না। ছোট একটি অভ্যাস যেমন নিয়মিত হাঁটা, শরীর ও মস্তিষ্ক—উভয়ের স্বাস্থ্যে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
৩০ বার পঠিত হয়েছে

মস্তিষ্কের জটিলতায় হাঁটার গুরুত্ব

আপডেট এর সময় : ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ব্যস্ত জীবন, কাজের চাপ ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে অনেক মাঝবয়সী মানুষ মানসিক ‘ফগ’ বা ঝাপসা ভাব অনুভব করেন। এতে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং সহজেই স্ট্রেসে ভেঙে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। তবে এর একটি সহজ সমাধান হতে পারে নিয়মিত হাঁটা।

হার্ভার্ড, কলাম্বিয়া ও কর্নেল-প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ডা. অ্যামি শাহ জানিয়েছেন, জিমে কঠোর ব্যায়াম না করেও শুধু সপ্তাহে তিন দিন ৪০ মিনিট করে হাঁটলেই মস্তিষ্কে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে হিপোক্যাম্পাস নামের অংশটি বড় হতে শুরু করে, যা স্মৃতি ও শেখার ক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বয়স বাড়ার সঙ্গে এই অংশ স্বাভাবিকভাবেই ছোট হতে থাকে, ফলে ভুলে যাওয়া ও মনোযোগের সমস্যা বাড়ে। কিন্তু নিয়মিত হাঁটার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া ধীর করা বা উন্নত করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, হাঁটা শরীরের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে মাঝবয়সে হরমোন পরিবর্তনের কারণে স্ট্রেস সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ছোট বিষয়ও বেশি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত হাঁটা এই চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

খোলা বাতাসে, বিশেষ করে গাছপালার মাঝে হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আরও উপকারী, কারণ এটি স্ট্রেস কমায় এবং মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

সবশেষে বলা যায়, বড় পরিবর্তনের জন্য সবসময় বড় পদক্ষেপ দরকার হয় না। ছোট একটি অভ্যাস যেমন নিয়মিত হাঁটা, শরীর ও মস্তিষ্ক—উভয়ের স্বাস্থ্যে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।