ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল: মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম :

জীবন নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল আছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজধানীর একটি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। দুই দফা করোনা পরীক্ষায় তার পজিটিভ ধরা পড়ে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (সোমবার) তার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। এখনও সেখানে আছেন। তবে এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তার চিকিৎসকরা বলেছেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট আচরণ’ সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে শ্রমিক এবং যারা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছেন, তাদের। এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি বাঁশখালীতে গুলিতে নিহত শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

করোনাভাইরাসে শ্রমিকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, এ ক্ষেত্রে মালিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, আওয়ামী লীগের নেতারা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। দিনমজুর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাহায্য করা হচ্ছে না।

বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, সরকারি চাকরিতে যারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা অন্যভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার লকডাউন দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ‘ক্র্যাকডাউন’ চালাচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম ও ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করতে এই লকডাউন। পুরো জাঁতি জিম্মি হয়ে গেছে। এখানে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে তরুণ ও শ্রমিকদের।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে পারেন, দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যাতে মামলা তুলে নেওয়া হয় এবং শ্রমিক শ্রেণির অধিকার যেন প্রতিষ্ঠিত হয়, সেজন্য দেশে আন্দোলন দরকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান। সঞ্চালনায় ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১
৩১ বার পঠিত হয়েছে

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল: মির্জা ফখরুল

আপডেট এর সময় : ১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

জীবন নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল আছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজধানীর একটি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। দুই দফা করোনা পরীক্ষায় তার পজিটিভ ধরা পড়ে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (সোমবার) তার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। এখনও সেখানে আছেন। তবে এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তার চিকিৎসকরা বলেছেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট আচরণ’ সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে শ্রমিক এবং যারা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছেন, তাদের। এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি বাঁশখালীতে গুলিতে নিহত শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

করোনাভাইরাসে শ্রমিকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, এ ক্ষেত্রে মালিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, আওয়ামী লীগের নেতারা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। দিনমজুর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাহায্য করা হচ্ছে না।

বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, সরকারি চাকরিতে যারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা অন্যভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার লকডাউন দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ‘ক্র্যাকডাউন’ চালাচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম ও ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করতে এই লকডাউন। পুরো জাঁতি জিম্মি হয়ে গেছে। এখানে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে তরুণ ও শ্রমিকদের।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে পারেন, দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যাতে মামলা তুলে নেওয়া হয় এবং শ্রমিক শ্রেণির অধিকার যেন প্রতিষ্ঠিত হয়, সেজন্য দেশে আন্দোলন দরকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান। সঞ্চালনায় ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম।