ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল: মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম :

জীবন নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল আছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজধানীর একটি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। দুই দফা করোনা পরীক্ষায় তার পজিটিভ ধরা পড়ে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (সোমবার) তার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। এখনও সেখানে আছেন। তবে এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তার চিকিৎসকরা বলেছেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট আচরণ’ সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে শ্রমিক এবং যারা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছেন, তাদের। এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি বাঁশখালীতে গুলিতে নিহত শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

করোনাভাইরাসে শ্রমিকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, এ ক্ষেত্রে মালিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, আওয়ামী লীগের নেতারা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। দিনমজুর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাহায্য করা হচ্ছে না।

বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, সরকারি চাকরিতে যারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা অন্যভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার লকডাউন দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ‘ক্র্যাকডাউন’ চালাচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম ও ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করতে এই লকডাউন। পুরো জাঁতি জিম্মি হয়ে গেছে। এখানে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে তরুণ ও শ্রমিকদের।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে পারেন, দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যাতে মামলা তুলে নেওয়া হয় এবং শ্রমিক শ্রেণির অধিকার যেন প্রতিষ্ঠিত হয়, সেজন্য দেশে আন্দোলন দরকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান। সঞ্চালনায় ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১
২৩ বার পঠিত হয়েছে

খালেদা জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল: মির্জা ফখরুল

আপডেট এর সময় : ১০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

জীবন নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন স্থিতিশীল আছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজধানীর একটি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। দুই দফা করোনা পরীক্ষায় তার পজিটিভ ধরা পড়ে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল (সোমবার) তার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। এখনও সেখানে আছেন। তবে এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে তার চিকিৎসকরা বলেছেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের ‘ফ্যাসিস্ট আচরণ’ সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে শ্রমিক এবং যারা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছেন, তাদের। এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি বাঁশখালীতে গুলিতে নিহত শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

করোনাভাইরাসে শ্রমিকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, এ ক্ষেত্রে মালিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, আওয়ামী লীগের নেতারা সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। দিনমজুর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাহায্য করা হচ্ছে না।

বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, সরকারি চাকরিতে যারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা অন্যভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার লকডাউন দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ‘ক্র্যাকডাউন’ চালাচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম ও ছাত্রনেতাদের গ্রেপ্তার করতে এই লকডাউন। পুরো জাঁতি জিম্মি হয়ে গেছে। এখানে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে তরুণ ও শ্রমিকদের।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারেক রহমান যাতে দেশে ফিরতে পারেন, দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যাতে মামলা তুলে নেওয়া হয় এবং শ্রমিক শ্রেণির অধিকার যেন প্রতিষ্ঠিত হয়, সেজন্য দেশে আন্দোলন দরকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান। সঞ্চালনায় ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম।