
নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে পাস ছাড়া কেউ ঢাকা সেনানিবাস এলাকার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া এ সংক্রান্ত নোটিশ বোর্ড টানানো হয়েছে ক্যান্টনমেন্ট থার্ড গেইট বা শহীদ জাহাঙ্গীর গেইটসহ সেনানিবাসে প্রবেশের সবগুলো ফটকের সামনে।
বড় একটি বোর্ডে ওই সাত দফা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় বসবাসকারীদের যাতায়াতের জন্য (মাটিকাটা-জিয়াকলোনি-এমপি চেকপোস্ট এবং রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট-সৈনিক ক্লাব এমপি চেকপোস্ট) ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পাস সংগ্রহ করতে হবে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে পাস ছাড়া সেনানিবাসের অভ্যন্তরে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
পাস ছাড়া প্রবেশের ক্ষেত্রে কী শাস্তি হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি ওই নোটিসে। শুধু বলা হয়েছে, বেআইনি অনুপ্রবেশের জন্য ‘যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ওই এলাকার ব্যক্তি মালিকাধীন বাড়ির কর্মচারী, কেয়ারটেকার, গার্ড, ড্রাইভার, গ্রহকর্মী এবং আত্মীয়দের জন্য ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড থেকে অস্থায়ী আবাসিক পাসের আবেদন করতে হবে। সেনানিবাস এলাকার কোনো বাসায় পলাতক বা সাজাপ্রাপ্ত আসামি অবস্থান করলে তার দায়-দায়িত্ব বাড়ির মালিককে বহন করতে হবে। সেনানিবাস এলাকায় কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমও পরিচালনা করা যাবে না বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেউ পায়ে হেঁটে সেনানিবাসের এক গেইট দিয়ে প্রবেশ করে অন্য গেইট দিয়ে বের হতে চাইলে তাকে একটি পাস ধরিয়ে দেয়া হবে। বের হওয়ার সময় ওই পাস জমা দিতে হবে।
আইএসপিআর পরিচালক লেফটেনেন্ট কর্নেল রাশিদুল হাসান বলছেন, এটা নতুন কিছু না, ধারাবাহিকতা মাত্র। প্রতি বছর বেসামরিক ব্যক্তিদের জন্য হয়ে থাকে। সেনানিবাস এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থেই এ ধরনের পদেক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ওই এলাকায় বসবাসকারীদের চলাচলের জন্য ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড থেকে পাস নিতে হবে। তবে বাসে করে যারা সেনানিবাস এলাকার ওপর দিয়ে যাতায়াত করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
তিনি বলেন, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে যারা পুরাতন তারা তাদের সময় বর্ধিত করবেন এবং যারা নতুন তারা নতুনভাবে পাস নেয়ার জন্য আবেদন করবেন।