ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo এক রানেরও কম ইকোনমিতে রেকর্ড বইয়ে রবিনসন Logo শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ Logo ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট Logo বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, প্রাণহানি ৬৩৩ Logo ৭৪ জনকে চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান প্রধানমন্ত্রীর Logo গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

খামারবাড়িতে উত্তেজনা: সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

প্রতিনিধির নাম :

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজধানীর খামারবাড়িতে রোববার (১৬ মার্চ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক ছাইফুল আলমসহ সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে অংশ নেন।
দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব মো. রেজাউল ইসলাম (মুকুল) নেতৃত্বে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। তবে কিছুক্ষণ পর টহলরত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা আন্দোলনকারীদের সরে যেতে বাধ্য করেন। কৃষি কর্মকর্তারা অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে গেলেও, ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষার্থীরা খামারবাড়ি মোড়ে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম ফাহিম।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। তারা আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যেতে অনুরোধ করেন। খামারবাড়ি এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে গত বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ), যখন কৃষি মন্ত্রণালয় ডিএইর প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের উপপরিচালক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদকে মেহেরপুরের বারাদি হর্টিকালচার সেন্টারে বদলি করার প্রজ্ঞাপন জারি করে। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংয়ের উপপরিচালক (আমদানি) মো. মুরাদুল হাসানকে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই মূলত আন্দোলন শুরু হয়।
এ প্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছাইফুল আলম বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা বা সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ অবস্থায় পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫
১৩ বার পঠিত হয়েছে

খামারবাড়িতে উত্তেজনা: সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট এর সময় : ১১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজধানীর খামারবাড়িতে রোববার (১৬ মার্চ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক ছাইফুল আলমসহ সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে অংশ নেন।
দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব মো. রেজাউল ইসলাম (মুকুল) নেতৃত্বে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। তবে কিছুক্ষণ পর টহলরত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা আন্দোলনকারীদের সরে যেতে বাধ্য করেন। কৃষি কর্মকর্তারা অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে গেলেও, ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষার্থীরা খামারবাড়ি মোড়ে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের অর্থ সম্পাদক কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম ফাহিম।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে। তারা আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যেতে অনুরোধ করেন। খামারবাড়ি এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটে গত বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ), যখন কৃষি মন্ত্রণালয় ডিএইর প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের উপপরিচালক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদকে মেহেরপুরের বারাদি হর্টিকালচার সেন্টারে বদলি করার প্রজ্ঞাপন জারি করে। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংয়ের উপপরিচালক (আমদানি) মো. মুরাদুল হাসানকে। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই মূলত আন্দোলন শুরু হয়।
এ প্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছাইফুল আলম বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা বা সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ অবস্থায় পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করছে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।