ঢাকা , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফ – এর; বিজিবি বাধার

প্রতিনিধির নাম :

ফেনী প্রতিনিধি  : ভারতের ত্রিপুরার বিলোনীয়া শহরের জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ফেনীর সীমান্তবর্তী বল্লামুখা এলাকার নোম্যান্সল্যান্ডে ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দিবাগত রাতে সীমান্তের বৈদ্যুতিক আলো বন্ধ করে দিয়ে তারা এমন চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা সরে যায়।

ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বিএসএফ বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ড্রেন নির্মাণ করছিল। কিন্তু কাজের কিছু অংশ নোম্যান্সল্যান্ডের (শূন্য রেখা) ২০ গজ এলাকার মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আমরা বাধা দিয়েছি। কারণ, শূন্য রেখার ১৫০ গজের মধ্যে কাজ করতে হলে দু’দেশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করতে হবে।

পরশুরামের সীমান্তবর্তী স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ওপারে বিলোনীয়া শহর ও পুলিশ স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে তাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। সেজন্য তারা পানি বের করার উপায় খুঁজছে। বাংলাদেশের ভাটির দিকে পানি ছেড়ে দিতে পারলে তাদের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসন হবে; তাই তারা এমন চেষ্টা চালিয়েছে।

ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সতর্ক রয়েছি। তবে বাসিন্দাদের অনুরোধ, ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, সীমান্তে লাইট বন্ধ করে দিয়ে বিএসএফ’র আনাগোনা, স্কেবেটর রাখা এসব কিছু সন্দেহ তৈরী করছে। বল্লামুখা বাঁধে যাতে বিএসএফ হাত দিতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আমরাও চাই তারা (ভারতীয়রা) জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত না থাকুক। ভাটির দিকে পানি দিবে, তবে সেটি আমাদের ক্ষতি করে নয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
১৫ বার পঠিত হয়েছে

ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফ – এর; বিজিবি বাধার

আপডেট এর সময় : ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

ফেনী প্রতিনিধি  : ভারতের ত্রিপুরার বিলোনীয়া শহরের জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ফেনীর সীমান্তবর্তী বল্লামুখা এলাকার নোম্যান্সল্যান্ডে ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে তারা।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দিবাগত রাতে সীমান্তের বৈদ্যুতিক আলো বন্ধ করে দিয়ে তারা এমন চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা সরে যায়।

ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বিএসএফ বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ড্রেন নির্মাণ করছিল। কিন্তু কাজের কিছু অংশ নোম্যান্সল্যান্ডের (শূন্য রেখা) ২০ গজ এলাকার মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আমরা বাধা দিয়েছি। কারণ, শূন্য রেখার ১৫০ গজের মধ্যে কাজ করতে হলে দু’দেশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করতে হবে।

পরশুরামের সীমান্তবর্তী স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ওপারে বিলোনীয়া শহর ও পুলিশ স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে তাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরী হয়েছে। সেজন্য তারা পানি বের করার উপায় খুঁজছে। বাংলাদেশের ভাটির দিকে পানি ছেড়ে দিতে পারলে তাদের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসন হবে; তাই তারা এমন চেষ্টা চালিয়েছে।

ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সতর্ক রয়েছি। তবে বাসিন্দাদের অনুরোধ, ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, সীমান্তে লাইট বন্ধ করে দিয়ে বিএসএফ’র আনাগোনা, স্কেবেটর রাখা এসব কিছু সন্দেহ তৈরী করছে। বল্লামুখা বাঁধে যাতে বিএসএফ হাত দিতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আমরাও চাই তারা (ভারতীয়রা) জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত না থাকুক। ভাটির দিকে পানি দিবে, তবে সেটি আমাদের ক্ষতি করে নয়।