ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো Logo গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য

ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

প্রতিনিধির নাম :

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার আগে ইসরায়েলি বাহিনী এলাকার কয়েকটি ভবন খালি করার সতর্কতা জারি করেছিল।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর একটি গোপন ইউনিট শনাক্ত করেছে, যা ভূগর্ভে ‘হাজার হাজার’ ড্রোন উৎপাদন করছিল এবং এটি ‘ইরানি সন্ত্রাসীদের অর্থায়নে’ পরিচালিত হচ্ছিল। গত ছয় মাস ধরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও অনেকটা অতর্কিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।

এ হামলার পর লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এক্সে পোস্ট করে এই হামলাকে ‘জঘন্য ও ইচ্ছাকৃত’ আক্রমণ বলে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এই হামলাকে আমাদের স্বদেশ, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতির বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখছি—বিশেষ করে উৎসবের প্রাক্কালে এবং পর্যটন মৌসুমে।’

হামলার সতর্কতার পর ওই অঞ্চলের হাজার হাজার বাসিন্দা দ্রুত এলাকা ছেড়ে যান, যার ফলে সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আওন এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, এটি ‘একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসবের প্রাক্কালে’ ঘটেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর ‘ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার’ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের আক্রমণের একটি প্রধান হাতিয়ার এবং এটি ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সমঝোতার সরাসরি লঙ্ঘন’।

হামলার এক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদরাঈ হাদাথ, হারেত হরেইক ও বোরজ আল-বরাজনেহ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মানচিত্রসহ পোস্ট করে বলেন, ‘আপনারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোর পাশে আছেন’।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫
২৪ বার পঠিত হয়েছে

ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

আপডেট এর সময় : ১২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   ঈদুল আজহার আগের রাতে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার আগে ইসরায়েলি বাহিনী এলাকার কয়েকটি ভবন খালি করার সতর্কতা জারি করেছিল।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহর একটি গোপন ইউনিট শনাক্ত করেছে, যা ভূগর্ভে ‘হাজার হাজার’ ড্রোন উৎপাদন করছিল এবং এটি ‘ইরানি সন্ত্রাসীদের অর্থায়নে’ পরিচালিত হচ্ছিল। গত ছয় মাস ধরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও অনেকটা অতর্কিতভাবে এই হামলা চালানো হয়।

এ হামলার পর লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এক্সে পোস্ট করে এই হামলাকে ‘জঘন্য ও ইচ্ছাকৃত’ আক্রমণ বলে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এই হামলাকে আমাদের স্বদেশ, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতির বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখছি—বিশেষ করে উৎসবের প্রাক্কালে এবং পর্যটন মৌসুমে।’

হামলার সতর্কতার পর ওই অঞ্চলের হাজার হাজার বাসিন্দা দ্রুত এলাকা ছেড়ে যান, যার ফলে সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আওন এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, এটি ‘একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসবের প্রাক্কালে’ ঘটেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর ‘ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার’ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের আক্রমণের একটি প্রধান হাতিয়ার এবং এটি ‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যকার সমঝোতার সরাসরি লঙ্ঘন’।

হামলার এক ঘণ্টা আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদরাঈ হাদাথ, হারেত হরেইক ও বোরজ আল-বরাজনেহ এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মানচিত্রসহ পোস্ট করে বলেন, ‘আপনারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামোর পাশে আছেন’।