ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

রপ্তানি ও আয় বেড়েছে হিলি বন্দরে

প্রতিনিধির নাম :

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ৩০ জুন থেকে ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি শুরু হয়েছে।

শনিবার হিলি স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার এএসএম আকরম সম্রাট বলেন, চলতি অর্থবছরে জুন থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত  সময়ে এ বন্দর দিয়ে দুই হাজার ৯১ টন পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে। ভারতে রপ্তানি করা পণ্য থেকে ১৭ লাখ ১০ হাজার ৫০০ ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ সরকার যা বাংলা টাকায় প্রায় ২০ কোটি।

তিনি বলেন, এই স্থলবন্দর দিয়ে বিগত কয়েক বছর তেমন কোনো পণ্য ভারতে রপ্তানি করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে দেশীয় পণ্যের চাহিদা থাকায় ভারতে পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। হিলি স্থলবন্দর আমদানি নির্ভর হলেও, এখানে দিন দিন বাড়ছে রপ্তানির পরিমাণ। এই বন্দর দিয়ে যে পরিমাণ পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হচ্ছে তার বিপরিতে প্রায় ৭০ শতাংশ পণ্য ভারত থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে।

ভারতের আমদানিকারকরা হিলি বন্দর দিয়ে রাইস ব্রান (তুষের তেল), টোস্ট বিস্কুট, ম্যাংগো জুস, ঝুট কাপড়, নুডুলসসহ  বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্য নিয়ে যাচ্ছেন।

হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে রপ্তানি খাতে বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার আয়। সরকারের আয়ের পাশাপাশি এই বন্দরে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেক শ্রমিক।

তবে ভারতের অভ্যন্তরে কিছু সমস্যা সমাধান করা গেলে রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে মনে করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দর কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দীন বলেন, এ বন্দর দিয়ে দীর্ঘদিন রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বর্তমানে ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। কাস্টমস বিভাগের পক্ষ থেকে দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
১০ বার পঠিত হয়েছে

রপ্তানি ও আয় বেড়েছে হিলি বন্দরে

আপডেট এর সময় : ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ৩০ জুন থেকে ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি শুরু হয়েছে।

শনিবার হিলি স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার এএসএম আকরম সম্রাট বলেন, চলতি অর্থবছরে জুন থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত  সময়ে এ বন্দর দিয়ে দুই হাজার ৯১ টন পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হয়েছে। ভারতে রপ্তানি করা পণ্য থেকে ১৭ লাখ ১০ হাজার ৫০০ ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ সরকার যা বাংলা টাকায় প্রায় ২০ কোটি।

তিনি বলেন, এই স্থলবন্দর দিয়ে বিগত কয়েক বছর তেমন কোনো পণ্য ভারতে রপ্তানি করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে দেশীয় পণ্যের চাহিদা থাকায় ভারতে পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। হিলি স্থলবন্দর আমদানি নির্ভর হলেও, এখানে দিন দিন বাড়ছে রপ্তানির পরিমাণ। এই বন্দর দিয়ে যে পরিমাণ পণ্য ভারতে রপ্তানি করা হচ্ছে তার বিপরিতে প্রায় ৭০ শতাংশ পণ্য ভারত থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে।

ভারতের আমদানিকারকরা হিলি বন্দর দিয়ে রাইস ব্রান (তুষের তেল), টোস্ট বিস্কুট, ম্যাংগো জুস, ঝুট কাপড়, নুডুলসসহ  বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্য নিয়ে যাচ্ছেন।

হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে রপ্তানি খাতে বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার আয়। সরকারের আয়ের পাশাপাশি এই বন্দরে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেক শ্রমিক।

তবে ভারতের অভ্যন্তরে কিছু সমস্যা সমাধান করা গেলে রপ্তানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে মনে করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দর কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দীন বলেন, এ বন্দর দিয়ে দীর্ঘদিন রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বর্তমানে ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। কাস্টমস বিভাগের পক্ষ থেকে দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।